
নিজস্ব প্রতিবেদক :: অবশেষে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উপসচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সিলেটের প্রশাসনিক অঙ্গনে চলা অনিশ্চয়তা ও নানা আলোচনার পর বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে আব্দুল্লাহ আল মামুনকে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এর আগে গত ২৮ জুন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানকে সিলেটের ডিসি হিসেবে পদায়ন করা হলেও তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেননি। সিলেটে যোগদানের উদ্দেশ্যে ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর শেষ মুহূর্তে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে তাঁকে ফিরে যেতে হয়। ঘটনাটি প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং সিলেটের নতুন ডিসি কে হচ্ছেন—তা নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়।
এদিকে কুমিল্লায় রেজা হাসানের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে রোজী আক্তার ইতোমধ্যে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। ফলে সিলেটে নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগের বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
উল্লেখ্য, গত ২১ জুন সিলেটের তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়। সরকারি প্রজ্ঞাপনে বদলির কারণ উল্লেখ না থাকলেও বিষয়টি প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
দায়িত্ব পালনকালে সারওয়ার আলমের নেওয়া কয়েকটি প্রশাসনিক উদ্যোগ আলোচনায় আসে। বিশেষ করে হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরাণ (রহ.)-এর মাজারে দানের অর্থের ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তনের উদ্যোগ সর্বাধিক আলোচিত হয়েছিল।
নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন শিগগিরই সিলেটে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তাঁর যোগদানের মাধ্যমে জেলার প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে আশা করছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং সচেতন নাগরিকরা।