
আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জাফলং ভাসমান দোকান থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক :: প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সিলেটের জাফলং জিরো পয়েন্ট এলাকায় গড়ে উঠেছে শতাধিক ভাসমান দোকান। অভিযোগ উঠেছে, এসব দোকান থেকে প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে নিয়মিত সাপ্তাহিক চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। জাফলং জিরো পয়েন্ট এলাকায় সম্প্রতি শতাধিক ভাসমান দোকান গড়ে উঠেছে। সীমান্ত সংলগ্ন এই এলাকায় দোকান নির্মাণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও তা অমান্য করেই চলছে দখল ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম।
একাধিক দোকানদারের অভিযোগ, বল্লাঘাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হোসেন মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আলমগীরের নেতৃত্বে দোকানপ্রতি সাপ্তাহিক চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। চাঁদা না দিলে দোকান বসাতে না দেওয়ার পাশাপাশি ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও রয়েছে।
দোকানদাররা বলছেন''চাঁদা না দিলে দোকান বসাতে দেয় না। প্রশাসনের নাম বলে টাকা নেয়।”
জাফলং সংগ্রাম ক্যাম্প কমান্ডার নায়েব সুবেদার হারুন অর রশীদ,জানান সীমান্ত এলাকায় কোনো দোকানঘর নির্মাণ করা দণ্ডনীয় অপরাধ। চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উপজেলা প্রশাসন বলছে, জিরো পয়েন্ট এলাকায় দোকানপাট না বসানোর নির্দেশ আগেই দেওয়া হয়েছে।
“আমরা আগেই বাজার ব্যবসায়ী নেতাদের জানিয়ে দিয়েছি, জিরো পয়েন্ট এলাকায় কোনো দোকানপাট বসানো যাবে না। এটি পর্যটন ও সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।”
এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দ্রুত অবৈধ দোকান উচ্ছেদ ও জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি স্থানীয়দের।