
নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট | ২২ জানুয়ারি, ২০২৬
রাজনীতির মঞ্চে উন্নয়নের গালভরা বুলি বা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তো থাকেই, কিন্তু এক শিক্ষার্থীর করা এক সাধারণ প্রশ্নে ফুটে উঠল নগরায়ণের এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা। আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে সিলেটের একটি হোটেলে তরুণদের সাথে মতবিনিময়কালে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান পরিবেশ ও নগরায়ণ নিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।
কাক বনাম যানবাহনের হর্ন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী আক্ষেপ করে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘সিলেটে আগের মতো কাকের সংখ্যা দেখা যায় না, আগে কাকের ডাকেই আমাদের ঘুম ভাঙত।’ এই প্রশ্নের উত্তরে তারেক রহমান বলেন:
“আগে মানুষের ঘুম ভাঙত কাকের ডাকে, এখন ঘুম ভাঙে যানবাহনের হর্নের শব্দে।”
তাঁর এই মন্তব্যে মূলত অনিয়ন্ত্রিত শব্দদূষণ এবং জীববৈচিত্র্য হ্রাসের করুণ চিত্রটি ফুটে উঠেছে। তিনি উল্লেখ করেন, নগরায়ণের প্রভাবে আমরা আমাদের চারপাশের প্রাকৃতিক শব্দ ও পরিবেশ হারিয়ে ফেলছি।
সিলেটের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশংসা পরিবেশ ও বর্জ্য পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনাকালে তারেক রহমান ঢাকার তুলনায় সিলেটের পরিচ্ছন্নতার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “ঢাকার চেয়ে আমি সিলেটকে অনেক বেশি পরিচ্ছন্ন দেখেছি। গত রাতে যেটুকু দেখেছি, সিলেটের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ বেশ উন্নত মনে হয়েছে।”
বর্জ্য থেকে সম্পদ তৈরির ভাবনা আলোচনায় পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। তারেক রহমান তরুণদের উদ্দেশে বলেন, কেবল শহর পরিষ্কার রাখলেই হবে না, বর্জ্যকে কীভাবে সম্পদে রূপান্তর করা যায় এবং শব্দদূষণ কমিয়ে বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা যায়—সেদিকেও মনোযোগ দিতে হবে।