নিজস্ব প্রতিবেদক | সিলেট সমাজের অবক্ষয় রোধে শিক্ষার গুরুত্ব এবং একজন আদর্শ শিক্ষকের প্রয়োজনীয়তা স্মরণ করে যথাযথ মর্যাদায় উদ্যাপিত হলো এমসি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবদুল আজিজ-এর ৯০তম জন্মদিন।
শিক্ষাই সমাজ-ক্ষত নিরাময়ের শ্রেষ্ঠ পথ
জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন আলোচনায় বক্তারা বলেন, শারীরিক ক্ষত দূর করতে যেমন চিকিৎসা প্রয়োজন, তেমনি সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে জমে থাকা ক্ষত দূর করতে প্রয়োজন সুশিক্ষা। বর্তমান সময়ে সমাজ, রাষ্ট্র এবং শিক্ষা ব্যবস্থার ক্রান্তিলগ্নে প্রফেসর মো. আবদুল আজিজের মতো নীতিবান ও মহান মানুষের উপস্থিতি অপরিহার্য। তাকে ‘সমাজ-চিকিৎসক’ হিসেবে অভিহিত করে বক্তারা বলেন, মানুষের মনোজগতের অন্ধকার দূর করার এক মহাঔষধ হিসেবে তিনি সারা জীবন শিক্ষার আলো বিলিয়ে দিয়েছেন।
এক কর্মবীর শিক্ষকের জীবনগাথা
প্রফেসর মো. আবদুল আজিজ কেবল একজন শিক্ষকই নন, বরং একজন দক্ষ প্রশাসক হিসেবে এমসি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। আজ তিনি জীবনের ৯০ বছর পূর্ণ করলেন। তার ছাত্র-ছাত্রী এবং শুভানুধ্যায়ীদের মতে, তিনি সেই বিরল ব্যক্তিত্বদের একজন, যারা নিজেদের সততা ও নিষ্ঠা দিয়ে কয়েক প্রজন্মের বিবেককে জাগ্রত করেছেন।
শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত অভিভাবক
স্যারের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা তাদের প্রিয় অধ্যক্ষের জন্মদিনে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জ্ঞাপন করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ব্যক্তিগত বার্তায় তারা স্যারের দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে বলেন:
“আমাদের শিক্ষাজীবনের ধ্রুবতারা এবং মনজগতের অন্ধকার দূর করার কারিগর প্রফেসর আজিজ স্যার। তার দেখানো পথই আমাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ।”
উল্লেখ্য, অধ্যক্ষ মো. আবদুল আজিজ তার দীর্ঘ কর্মজীবনে হাজারো শিক্ষার্থীকে আলোকিত করেছেন, যারা বর্তমানে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবদান রেখে চলছেন। নব্বই বছর বয়সেও তিনি তার আদর্শ ও নৈতিকতার মাধ্যমে উত্তরসূরিদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছেন।
শুভ জন্মদিন, সমাজ-মনস্ক মহামানব প্রফেসর মো. আবদুল আজিজ!