আশেকানে আউলিয়া বাংলাদেশ'র কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল সিলেট শহরস্ত উপশহরের ই-ব্লকে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে পুর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

জনাব,আ ম ন জামান চৌধুরীকে সংগঠনের চেয়ারম্যান ও হাবিব সরোয়ার আজাদকে মহাসচিব করে ৩৬০ সদস্য বিশিষ্টি কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংঠনের অন্যান্যরা হলেন ভাইস চেয়ারম্যান বখতিয়ার আহমদ ইমরান, সেলিম আহমদ সৈয়দ আছলাম হোসেন জাহাঙ্গীর আলম বিটু সৈয়দ ,ময়না মিয়া, এ এম মাসুদ চৌধুরী, আবু জাফর মোঃ জমশেদ,মোঃ মুজিবুল হক চৌধুরী, মুহম্মদ ইলিয়াছ, মন্তাজ হোসেন মুন্না, মোঃ গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী ,বিদ্যা রত্ন রায় মারুফ বখতিয়ার চৌধুরী, এস আলম আলমগীর, জাফরুল ইসলাম নূর চৌধুরী, মোঃ ইউনুছ মিয়া।
যুগ্ম মহাসচিব শহীদুল ইসলাম সুহেল, সুয়েব লস্কর ফখর উদ্দিন, হাজী মোঃ কসির মিয়া, মোঃ ফখর উদ্দিন, নূরুল ইসলাম সুমন, সিদ্দিকা চৌধুরী এনাম হোসেন, বি এম এনাম চৌধুরী, শামীম আহমদ, সামির আহমদ, রেজাউল করীম লিটন, আলম আহমদ, ইউসুফ আহমদ ইমন। সাংগঠনিক সম্পাদক টুনু তালুকদার, কদ্দুস শিকদার, ফয়সল আহমদ, নূরুল ইসলাম খান, শিহাব সরোয়ার শিপু,তোফায়েল আহমদে রয়েল রাকিব আহমদ,খালেদ আহমদ মীর মফিজুল ইসলাম ইমরান মফিজ উদ্দিন সরকার, সাদেক আহমদ তাপাদার রুহুল
,শামীম খান। প্রচার সম্পাদক সাবের সালেহীন চৌধুরী, নিয়াজ খান, ডাঃ আজাদ জামিল আহমদ, শামীম আহমদ, আবিদ আহমদ, শাহাব উদ্দিন মস্তফা জামাল। দপ্তর সম্পাদক এইচ এম আব্দুল হালিম, আশরাফ আহম, ফারুক আহমদ, সেতু আহমদ, বাবুল মিয়া কুটন উদ্দিন হেলাল, ক আহমদ, মীর কাউসার আহমদ।
কোষাধ্যক্ষ মাওলানা আতাউর রহমান বঙ্গি, ক্বারী মাওলানা মোঃ লাভলু । মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক কামাল খান, হোসাইন আহমদ, বাহার উদ্দিন, আহমদ আল আনসার, সাব উদ্দিন, সুন্দর আলী, আন্তজার্তিক বিষয়ক সম্পাদক সালেহ আহমদ চৌধুরী, হেলাল আহমদ, মোঃ তৈয়বুর রহমান, মোঃ আব্দুর রহমান, মোঃ দিলওয়ার হোসেন।
আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদকঃ কয়ছর উদ্দিন, মানিক মিয়া শাহরিয়ার আলম, এমদাূুল হক জনি আহমদ, অন্যান সদস্যদেরকে পদায়ন করে গণমাধ্যমে প্ীকাশ করা হবে
আশেকানে আউলিয়া বাংলাদেশ এর লক্ষ্যসমূহ:
১) ওলি আউলিয়াদের আগমনের কারণ তাঁদের ত্যাগ তিতিক্ষা সম্পর্কে মানুষদের মাঝে প্রচার করা।
২) তাঁদের প্রচারিত উদ্দেশ্য দ্বীনের দাওয়াত, কল্যাণের পথে মানুষকে আহবান সেই পথে চলার জন্যে সংগঠনের কর্মীদের মেহনত।
৩)ওলি আউলিয়াদের কবর চিহ্নিত করণ, সংরক্ষণ
৪) ৩৬০ আউলিয়ার কে কোথায় শায়িত আছেন তা অনুসন্ধান করা।
৫)মাজার নিয়ে একশ্রেণি মানুষের মাঝে ভুল বদ্ধমূল ধারণা দূরীকরণে মানুষকে সচেতন করা।
৬) মাজারে মদ গাঁজা বিড়ি গানের আসর বসানো থেকে বিরত রাখা।
৭) সম্মান আর শ্রদ্ধার নামে শিরক হ'তে অসচেতন মানুষদের ইসলামের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা।
৮) মাজার এলাকায় বেপর্দা চলাফেরা থেকে মানুষকে সচেতন করা।
৯) রাতে কম বয়সী বা বয়স্ক নারীদের ৯ টার পর মাজারে রাত্রি যাপন করা বন্ধ করা।
১০) ভাসমান মানসিক ভারসাম্যহীনদের নারীদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন করা।
১১) ভাসমান শিশু ও নেশাগ্রস্ত শিশুদের পরিবারের অনুসন্ধান করা ও পুনর্বাসন করা।
১২) মাজারে আগত মেহমানদের জন্যে আতিয়েতার ব্যবস্থা করা।
১৩) অনৈসলামিক কর্মকান্ড হ'তে দরগাহ সমুহকে নিরাপদ রাখা মেহনত।
১৪) স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে দরগাহের পবিত্রতা রক্ষায় কাজ করা ।
১৫) ভিন্ন ধর্মালম্বীদের জন্যে আলাদা ভাবে বসার স্থান ও আতিয়েতার ব্যবস্থা এবং তাঁদের সুবিধাদি দেখা জন্যে স্বেচ্ছাসেবকদের কাজ করা।
১৬) সকল শ্রেণি-পেশার নাগরিকদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শন ও খেদমত আঞ্জাম দেওয়া।
১৭) মাজার সমুহের সঙ্গে যথাযথ সংযোগ স্থাপন তথ্য আদান প্রদান ও সম্প্রীতির মেলা বন্ধন তৈরীর কাজ করা।