১৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩রা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৮শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

আ.লীগ নেতাদের জামিন পেলেই ফের গ্রেপ্তারের নির্দেশ: ডিআইজিকে আইনি নোটিশ

admin
প্রকাশিত ১৬ মার্চ, সোমবার, ২০২৬ ১৯:২৫:৩১
আ.লীগ নেতাদের জামিন পেলেই ফের গ্রেপ্তারের নির্দেশ: ডিআইজিকে আইনি নোটিশ

Manual5 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা তারিখ: ১৬ মার্চ, ২০২৬

Manual2 Ad Code

রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহানের দেওয়া বিতর্কিত ‘বিশেষ নির্দেশনা’ প্রত্যাহারের দাবিতে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিস কেন্দ্র (আসক)। আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের জামিন পাওয়ার পর অন্য মামলায় গ্রেপ্তার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখানোর নির্দেশ দেওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার আসকের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দা নাসরিন ও শাহীনুজ্জামান এই নোটিশ পাঠান। নোটিশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, আগামী ৭ দিনের মধ্যে এই নির্দেশনা প্রত্যাহার বা কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হবে।

Manual4 Ad Code

নির্দেশনায় যা ছিল

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান একটি লিখিত নির্দেশনা জারি করেন। ওই নির্দেশনায় বলা হয়:

  • নিষিদ্ধ ও ফ্যাসিস্ট সংগঠনের যেসব নেতাকর্মী জামিনে মুক্তির পর দলকে শক্তিশালী বা সংগঠিত করতে সক্ষম, তাদের মুক্তির পর অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখাতে হবে।

    Manual3 Ad Code

  • যারা সাংগঠনিকভাবে তেমন প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না, তাদের ক্ষেত্রে আপাতত এই শ্যোন অ্যারেস্টের প্রয়োজন নেই।

এই নির্দেশনাটি রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত ৮টি জেলা—রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জয়পুরহাটের পুলিশ সুপারদের (এসপি) কাছে পাঠানো হয়েছিল।

আইনি নোটিশের মূল যুক্তি

আইনজীবীদের মতে, ডিআইজির এই নির্দেশনা দেশের প্রচলিত আইন এবং সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন। তারা বলছেন:

  1. বিচারিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করা: আদালত কোনো ব্যক্তিকে জামিন দিলে পুলিশ কর্তৃক পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের শামিল।

  2. বৈষম্যমূলক আচরণ: রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে বা সাংগঠনিক সক্ষমতা বিচার করে কাউকে পুনরায় গ্রেপ্তার করার বিষয়টি আইনের চোখে বৈষম্যমূলক।

    Manual7 Ad Code

পরবর্তী পদক্ষেপ

আসক-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি মূলত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ক্ষমতার অপব্যবহার। সাত দিনের সময়সীমা পার হওয়ার পর কোনো প্রতিকার না পেলে জনস্বার্থে তারা উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হবেন।