সুনির্মল সেন: “সংবিধান ও জনপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী সরকারি উপদেষ্টারা নির্বাচনী রাজনীতিতে নিরপেক্ষ থাকতে বাধ্য। সরকারি পদে থেকে কোনো দল বা প্রার্থীর পক্ষে সরাসরি প্রচারণা বা ‘হা ভোট’ চাওয়া নির্বাচনী আইন ও আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে বিবেচিত হয়ে নির্বাচন কমিশনের তদন্ত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার আওতায় পড়তে পারে।” আইন জানুন, বিভ্রান্ত হবেন না: সরকারি কোনো উপদেষ্টা (Advisor) কোনো রাজনৈতিক দল বা নেতার পক্ষে সরাসরি নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে বা “হা ভোট” চাইতে পারেন না। কারণ—সংবিধান, RPO ও নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি অনুযায়ী রাষ্ট্রযন্ত্র ও প্রশাসনকে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে হয়। এদিকে সরকারের অবস্থানে থেকে অন্তরবর্তী সরকারে তিন জন উপদেষ্টা আলী রিয়াজ, রিজওয়ানা হাসান, আদিলুর রহমান বিভিন্ন গণমাধ্যমে " হ্যা" ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে নির্বাচনী আইন ও আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে তিন উপদেষ্টার স্পষ্ট বক্তব্য এসেছে প্রমান সহ জাতির সামনে তা তুলে ধরলাম। আর জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি'র মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,''গণভোটের প্রচারণা বিএনপি'র দায়িত্ব নয়।জনগণই সিদ্ধান্ত নিবে 'হ্যা' বা 'না' যা জনগণ চাইবে সেটাই হবে৷''