
বর্তমান সময়ে কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য অনলাইনে এসেছে দারুণ সব এআই টুলস ও ফিচার। যে কাজগুলো করতে আগে সময়, পরিশ্রম ও বড় আয়োজন প্রয়োজন হতো, এখন সেগুলো খুব সহজেই সম্ভব করে দিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিভিন্ন টুল।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই টুলস ব্যবহারের মাধ্যমে কনটেন্ট তৈরিতে সময় বাঁচে, নতুন আইডিয়া পাওয়া যায় এবং সৃজনশীলতা বাড়ে। ছোট টিম কিংবা ফ্রিল্যান্সাররা এভাবে কম খরচেই মানসম্মত আউটপুট তৈরি করতে পারছেন।
তবে এসব টুলের পূর্ণ সুবিধা নিতে হলে মাসিক বা বাৎসরিক সাবস্ক্রিপশন কিনতে হয়। যদিও অনেক টুলসের ফ্রি সংস্করণ বা সীমিত সময়ের বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য ক্রেডিট দেওয়া হয়।
চ্যাটজিপিটি: ফ্রি ও পেইড—দুই সংস্করণেই পাওয়া যায়। সঠিক প্রম্পট ব্যবহার করলে ফ্রি ভার্সন দিয়েও নানা কাজ সম্ভব।
রাইটারসনিক: ব্লগ পোস্ট, ছোট আর্টিকেল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট তৈরিতে জনপ্রিয়।
পারপ্লেক্সিটি: গবেষণাধর্মী কনটেন্ট নির্মাণের জন্য কার্যকর এআই চ্যাটবট।
ডিপসিক: আর্টিকেল লেখা, শিরোনাম, মেটা ডেসক্রিপশনসহ বিভিন্ন কাজে সহায়ক।
ক্যাপকাট: মোবাইল ও ডেস্কটপে ব্যবহারযোগ্য। সাবটাইটেল, ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ, ভিডিও ট্রিমসহ নানা এআই ফিচার রয়েছে।
ইনশট: ফ্রি বিজ্ঞাপন দেখে ব্যবহার করা যায়। ভিডিও কাট, ট্রিম ও সাবটাইটেল যোগে সহায়তা করে।
এলেভেনল্যাবস: বাস্তবসম্মত টেক্সট-টু-স্পিচ ভয়েস তৈরিতে জনপ্রিয়।
ভয়েস এআই: টেক্সট থেকে ভয়েস তৈরি ছাড়াও লাইভ ভয়েস পরিবর্তন করতে পারে।
টিটিএস মেকার: সাপ্তাহিক ২০ হাজার ক্যারেক্টার বিনা মূল্যে ভয়েস রূপান্তর সুবিধা দেয়।
ক্যানভা: ভিডিও থাম্বনেইল ও ভিজ্যুয়াল তৈরিতে কার্যকর।
ফটোর: ক্যানভার মতো গ্রাফিকস টুল।
ডাল-ই মিনি: প্রম্পটের মাধ্যমে দ্রুত ছবি তৈরির সুযোগ।
লিওনার্ডো এআই: হাই রেজল্যুশন ছবি তৈরির জন্য জনপ্রিয়। ফ্রি ভার্সনে সীমিত ক্রেডিট ব্যবহারের সুবিধা আছে।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুরুতে ফ্রি এআই টুল ব্যবহার করে অভিজ্ঞতা অর্জন করা ভালো। তবে দীর্ঘ মেয়াদে মানসম্মত কনটেন্ট তৈরিতে এআইয়ের পূর্ণ সুবিধা পেতে হলে পেইড ভার্সনে বিনিয়োগ করাই হবে সঠিক সিদ্ধান্ত।