বেলা দুইটার দিকে রিমান্ড বিষয়ে পিপির বক্তব্য শেষ হওয়ার পর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা কাজী হাবিবুল আউয়াল আদালতের কাছে কথা বলার অনুমতি চান। আদালতের অনুমতি দিলে হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘মাননীয় আদালত, আজ অনেকেই অনেক কথা বলছেন; কিন্তু মাননীয় আদালত, আমার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে কোনো প্রকার দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। কোনো অর্থ আত্মসাৎ করিনি। তবে আমি বলছি, ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি ডামি নির্বাচন হয়েছে, প্রহসনের নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সমঝোতা না হওয়ার কারণে একতরফা নির্বাচন হয়েছে।’
এ পর্যায়ে কাজী হাবিবুল আউয়ালকে থামিয়ে দেন সিএমএম মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি প্রশ্ন করেন, আপনার সময় কেন নির্বাচনের ইনকোয়ারি কমিটির অস্বাভাবিক ভাতা বৃদ্ধি হয়েছিল?
জবাবে হাবিবুল আউয়াল আদালতকে বলেন, মাননীয় আদালত, পাঁচ বছর পরপর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মূল্যস্ফীতিসহ নানা কারণে ভাতা বাড়ানো হয়েছিল।
সিএমএম তাঁকে পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘আমিও তখন একটি জেলা আদালতের যুগ্ম জেলা জজ ছিলাম। আমরা জানতাম, নির্বাচনের সময় ইনকোয়ারি কমিটির প্রধানদের ভাতা সাধারণত ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা হয়; কিন্তু আমরা দেখলাম, ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে ইনকোয়ারি কমিটির প্রধানদের ভাতা ৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছিল। কেন নির্বাচনে জড়িত ব্যক্তিদের এত অস্বাভাবিক ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছিল?’