১৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২রা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৭শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

কুমিল্লা আর্মি মেডিকেল কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন ও ৫০০ শয্যার হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

admin
প্রকাশিত ১৫ মার্চ, রবিবার, ২০২৬ ১৯:৫১:৫৬
কুমিল্লা আর্মি মেডিকেল কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন ও ৫০০ শয্যার হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

Manual7 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা | ১৫ মার্চ, ২০২৬

কুমিল্লায় আর্মি মেডিকেল কলেজের নবনির্মিত স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন এবং ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। আজ রোববার (১৫ মার্চ) ময়নামতি সেনানিবাস এলাকায় এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান

Manual1 Ad Code

চিকিৎসাসেবায় নতুন মাত্রা

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, “আর্মি মেডিকেল কলেজ ও এই নির্মাণাধীন ৫০০ শয্যার হাসপাতাল দেশের স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এই প্রতিষ্ঠানটি চিকিৎসাশিক্ষা ও সেবার মানোন্নয়নে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে।”

Manual8 Ad Code

ক্যাম্পাসের পটভূমি ও অবকাঠামো

জানা যায়, ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি কুমিল্লা সেনানিবাসের ৫ একর জমির ওপর এই কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর নিজস্ব অর্থায়নে সেনানিবাস সংলগ্ন প্রায় ৭.০৭ একর জমির ওপর স্থায়ী ক্যাম্পাসটি নির্মাণ করা হয়। আজকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে কলেজটি পূর্ণাঙ্গভাবে তার স্থায়ী ঠিকানায় কার্যক্রম শুরু করল।

শিক্ষার্থীদের সাফল্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

বর্তমানে এই কলেজে ২৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৬টি ব্যাচ থেকে মোট ২৮৩ জন শিক্ষার্থী সফলভাবে চিকিৎসক (এমবিবিএস) হিসেবে উত্তীর্ণ হয়ে দেশ-বিদেশে কর্মরত রয়েছেন। কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই স্থায়ী ক্যাম্পাসে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির পরিকল্পনা রয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানটিকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিত করবে।

Manual5 Ad Code

উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ

অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল, ডিরেক্টর জেনারেল অব মেডিকেল সার্ভিসেস, ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ, অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল এবং ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও কুমিল্লা এরিয়া কমান্ডারসহ সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা এই মাহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষী হন।

Manual5 Ad Code