১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

কুমিল্লা-৪ আসনে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই ঘিরে উত্তেজনা, দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ

admin
প্রকাশিত ০২ জানুয়ারি, শুক্রবার, ২০২৬ ২০:২১:৪৬
কুমিল্লা-৪ আসনে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই ঘিরে উত্তেজনা, দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ

Manual7 Ad Code

কুমিল্লা-৪ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। এ অভিযোগকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে রিটার্নিং কর্মকর্তা দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করেন।

শুক্রবার কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।

Manual1 Ad Code

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যাচাই-বাছাইয়ের সময় হাসনাত আবদুল্লাহ ও তাঁর আইনজীবী বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর বিরুদ্ধে হলফনামায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপনের অভিযোগ উত্থাপন করেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী তর্কবিতর্ক হয় এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

Manual1 Ad Code

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে নির্বাচনী আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় অভিযোগ উত্থাপনের নির্দেশ দেন। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দুই প্রার্থীর সাক্ষাৎ হয়। শেষ পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা উভয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।

Manual1 Ad Code

এ ঘটনার পর প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনী কার্যক্রমে প্রশাসনের আচরণ নিরপেক্ষতার মানদণ্ডে প্রশ্নবিদ্ধ এবং তারা কার্যত একটি রাজনৈতিক দলের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করছে।

Manual4 Ad Code

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা অনেকাংশেই প্রশাসনের ভূমিকার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এই যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় সেই নিরপেক্ষতার ঘাটতি স্পষ্ট হয়েছে। তাঁর দাবি, পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ ও যুক্তি উপস্থাপন করা হলেও অভিযোগগুলো আমলে নেওয়া হয়নি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএনপি প্রার্থী বিভিন্ন সময়ে একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করলেও তা হলফনামায় ঋণখেলাপি হিসেবে উল্লেখ করেননি। পাশাপাশি হাইকোর্টের একটি স্থগিতাদেশের তথ্যও গোপন করা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। এসব বিষয় নির্বাচনী বিধিমালার লঙ্ঘন এবং এতে প্রার্থিতা বাতিলের বিধান রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।