
সিলেট:
খালেদের আসল কাজ বোলিংয়ে। তবে আজ ব্যাট হাতেও ভয় ধরিয়েছিলেন তিনি। শেষ দিকে খালেদের ছোট কিন্তু ঝোড়ো ইনিংসে কিছুটা দুশ্চিন্তায় পড়েছিল চট্টগ্রাম রয়্যালস। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু হয়নি। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে ১৪ রানের জয় তুলে নিয়েছে চট্টগ্রাম।
এই জয়ে চলতি বিপিএলে চট্টগ্রামের এটি চতুর্থ জয়। ছয় ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে শেখ মেহেদি হাসানের দল। সমান পয়েন্ট থাকলেও রান রেটে পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রংপুর রাইডার্স। ছয় পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে সিলেট টাইটান্স।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে চট্টগ্রাম তোলে ১৯৮ রান, যা চলতি বিপিএলে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। তবে রেকর্ড রানের এই দিনে কেউ ফিফটির দেখা পাননি। ৩৮ বলে ৪৯ রান করেন অ্যাডাম রসিংটন। ২১ বলে ৪৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন মাহমুদুল হাসান জয়। শেষ দিকে অধিনায়ক শেখ মেহেদি হাসান ১২ বলে অপরাজিত ৩৩ রান করে দলকে বড় সংগ্রহ এনে দেন। এছাড়া হাসান নাওয়াজ করেন ২৫ রান।
সিলেটের হয়ে রুয়েল মিয়া ৪ ওভারে ৪১ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। মঈন আলী ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই নেন একটি করে উইকেট।
১৯৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আফিফ হোসেন, ইথান ব্রুকস ও তৌফিক খান তুষারের ব্যাটে লড়াইয়ে ছিল সিলেট। তবে শেষ দিকে নেমে খালেদ ব্যাট হাতে ম্যাচে নাটকীয়তা ফেরান। তানভীর ইসলামের করা শেষ ওভারের চতুর্থ বলে স্টাম্পিং হয়ে খালেদ ফিরে গেলে চট্টগ্রামের জয় নিশ্চিত হয়। ৯ বলে ১ চার ও ৩ ছক্কায় ২৫ রানের ইনিংস খেলেন এই পেসার।
সিলেটের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন আফিফ হোসেন (৩৩ বল)। তুষারের ব্যাট থেকে আসে ২৩ রান। ইথান ব্রুকস ২০০ স্ট্রাইকরেটে করেন ২০ রান।
চট্টগ্রামের হয়ে ৩৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার ছিলেন আমির জামাল। শরিফুল ইসলাম ও তানভীর ইসলাম নেন দুটি করে উইকেট।
এই জয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করল চট্টগ্রাম রয়্যালস।