৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

গ্রিসের গাভদোস দ্বীপের কাছে ৫৪০ অভিবাসী উদ্ধার, বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন

admin
প্রকাশিত ২০ ডিসেম্বর, শনিবার, ২০২৫ ২২:০০:৪৪
গ্রিসের গাভদোস দ্বীপের কাছে ৫৪০ অভিবাসী উদ্ধার, বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন

Manual8 Ad Code

এথেন্স (২০ ডিসেম্বর): গ্রিসের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ গাভদোসের কাছে একটি মাছধরা নৌকা থেকে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় ৫৪০ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে গ্রিক কোস্ট গার্ড। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) এই উদ্ধার অভিযানটি পরিচালিত হয়, যেখানে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা লিবীয় সাগরের ১৬ নটিক্যাল মাইল (২৯.৬ কিমি) দূরে মাছধরা নৌকাটি পাওয়া যায়।

Manual3 Ad Code

গ্রিক কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত সংস্থা ফ্রন্টেক্স এর টহল জাহাজ প্রথমে নৌকাটি শনাক্ত করে। এর পরেই, কোস্ট গার্ডের তিনটি জাহাজ, ফ্রন্টেক্সের তিনটি জাহাজ এবং তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজের সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়।

Manual4 Ad Code

উদ্ধার হওয়া ৫৪০ জন অভিবাসী বর্তমানে সুস্থ আছেন এবং তাঁদের নিকটবর্তী ক্রিট দ্বীপের আগিয়া গালিনি বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গ্রিক কোস্ট গার্ডের একজন মুখপাত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশ, মিশর, পাকিস্তান, ইরিত্রিয়া, সোমালিয়া, সুদান, ও ফিলিস্তিন নাগরিক রয়েছেন।

Manual6 Ad Code

উদ্ধারকৃতদের বর্তমানে ক্রিট দ্বীপের রেথিমনো শহরের একটি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। সেখানে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে তাঁদের রাজনৈতিক আশ্রয়ের (Asylum) আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে।

এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় শহর তোব্রুক থেকে পরিচালিত পাচারকারী চক্রগুলো বর্তমানে ইউরোপে প্রবেশের জন্য গাভদোস রুট ব্যবহার করছে। ২০২৫ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই ক্রিট ও গাভদোসে ৭ হাজার ৩০০ অভিবাসী পৌঁছেছেন, যা ২০২৪ সালের পুরো বছরের মোট সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে।

এদিকে, গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোটাকিস জানিয়েছেন যে, ২০২৬ সালের মাঝামাঝি থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন অভিবাসন চুক্তি কার্যকর হবে। এই চুক্তির আওতায়, যাদের আশ্রয়ের আবেদন বাতিল হবে, তাদের দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

Manual1 Ad Code

উদ্ধারকৃতদের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ, মিশর ও সুদানের নাগরিকেরা এই বিপজ্জনক যাত্রার জন্য পাচারকারী চক্রকে দুই থেকে পাঁচ হাজার ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২.৫ থেকে ৬ লাখ টাকা) পরিশোধ করেছেন।