৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

‘গ্লোবাল চেঞ্জমেকার ২০২৫’ হলেন বাংলাদেশের আমিমুল এহসান খান

admin
প্রকাশিত ২৬ অক্টোবর, রবিবার, ২০২৫ ১১:২৩:৫১
‘গ্লোবাল চেঞ্জমেকার ২০২৫’ হলেন বাংলাদেশের আমিমুল এহসান খান

Manual2 Ad Code

বিশ্বের ৫০ তরুণের মধ্যে অনন্য স্বীকৃতি

Manual8 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিশ্বের নানা প্রান্তের তরুণেরা যখন পরিবর্তনের স্বপ্নে ভবিষ্যৎ গড়ছেন, তখন সেই স্বপ্নবাজদের সারিতে বাংলাদেশের তরুণ আমিমুল এহসান খান যোগ করেছেন এক নতুন অধ্যায়। সম্প্রতি তিনি নির্বাচিত হয়েছেন ‘গ্লোবাল চেঞ্জমেকার ২০২৫’, বিশ্বের ৫০ জন তরুণ নেতার মধ্যে একজন হিসেবে।

দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে গত ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয় গ্লোবাল ইয়ুথ সামিট ২০২৫, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৫০ তরুণ অংশ নেন। আলোচনার বিষয় ছিল—নেতৃত্ব, টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক পরিবর্তন ও বৈশ্বিক সহযোগিতা। পুরো সম্মেলনটি ছিল ফুল ফান্ডেড, অর্থাৎ অংশগ্রহণকারীদের সব ব্যয় বহন করেছে আয়োজক সংস্থা গ্লোবাল চেঞ্জমেকারস


টোকিও থেকে বিশ্বমঞ্চে

আমিমুল তাঁর উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেছেন জাপানের টোকিও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে। সেখানে তিনি পেয়েছিলেন ৮০ শতাংশ স্কলারশিপ এবং জাপান সরকারের এক বছরের বৃত্তি
বর্তমানে তিনি অ্যাওয়ারনেস ৩৬০ নামের বৈশ্বিক তরুণ নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠানে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট লিড হিসেবে কাজ করছেন। পাশাপাশি তিনি জাপানের এশিয়ান বিজনেস নেটওয়ার্কে মার্কেটিং ম্যানেজার পদেও দায়িত্ব পালন করছেন।

Manual4 Ad Code


পরিবর্তনের পথে নেতৃত্ব

নিজের যাত্রা সম্পর্কে আমিমুল বলেন,

Manual4 Ad Code

“আমি এই সুযোগ পেয়েছি যুব ক্ষমতায়নমূলক কাজের জন্য, যা আমি অ্যাওয়ারনেস ৩৬০-এর সঙ্গে করে আসছি। আমি একা পৃথিবী বদলাতে পারব না জানি, তাই অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে চাই, যাতে তারাও পরিবর্তনের পথে এগিয়ে আসে।”

Manual6 Ad Code

আমিমুলের নেতৃত্বে প্রতিবছর আয়োজিত হয় অ্যাওয়ারনেস ৩৬০ ফেলোশিপ প্রোগ্রাম, যেখানে তরুণদের শেখানো হয় নেতৃত্ব, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ও সামাজিক প্রভাব তৈরির দক্ষতা। গত পাঁচ বছরে এ কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছেন বিশ্বের ৭০টিরও বেশি দেশের প্রায় ৫০০ তরুণ।


পুরস্কার ও স্বীকৃতি

যুবসমাজের জন্য নিরলস পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২২ সালে আমিমুল পেয়েছিলেন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ‘দ্য ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড’—যা তরুণ নেতৃত্ব ও সামাজিক প্রভাব তৈরির অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার।


অনুপ্রেরণার বার্তা

দক্ষিণ আফ্রিকার সামিটে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা তাঁকে আরও অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি বলেন,

“এই সম্মেলনে অংশ নিয়ে বুঝেছি, পৃথিবীর প্রত্যেক তরুণই পরিবর্তনের বাহক হতে পারে। আমাদের চিন্তা, কাজ আর সহযোগিতার মাধ্যমেই গড়ে উঠতে পারে এক সুন্দর, টেকসই ভবিষ্যৎ।”