চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং–হালিশহর) আসনে বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমানের বিরুদ্ধে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। মনোনয়ন দাখিলের সময় প্রার্থীসহ সর্বোচ্চ পাঁচজন উপস্থিত থাকার নির্দেশনা থাকলেও তিনি শতাধিক নেতা-কর্মী নিয়ে মনোনয়ন জমা দিতে গেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে সাঈদ আল নোমান মনোনয়নপত্র দাখিল করতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে যান। এ সময় তাঁর সঙ্গে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে তিনি কার্যালয়ে প্রবেশ করে মনোনয়নপত্র জমা দেন এবং সেখান থেকে বেরিয়ে যান।
তবে শুধু সাঈদ আল নোমানই নন, মনোনয়নপত্র জমা দিতে আসা প্রায় সব প্রার্থীই কর্মী ও সমর্থকদের পরিবেষ্টিত হয়ে কার্যালয়ে এসেছেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে সাঈদ আল নোমান বলেন, ‘এটা একদিকে যেমন প্রাপ্তির, অন্যদিকে বিব্রতকরও। এটা বাবার সময় থেকে দেখে আসছি।’ তিনি এমন পরিস্থিতির জন্য বিব্রতবোধ করার কথাও জানান।
নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমার সময় প্রার্থী অথবা তাঁর প্রস্তাবক ও সমর্থকসহ পাঁচজনের বেশি উপস্থিত থাকতে পারবেন না। এ সময় কোনো ধরনের মিছিল বা শোডাউন করলে তা আচরণবিধি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মো. জিয়াউদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর একান্ত সচিব মো. রিদুয়ানুল ইসলাম জানান, বিভাগীয় কমিশনার মনোনয়নপত্র গ্রহণের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি পরে কথা বলবেন।