৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৪ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

ছাতকে বহুল আলোচিত জিয়া হত্যার ঘটনায় জিয়ার স্ত্রী রানু বেগম গ্রেফতার

admin
প্রকাশিত ০৮ নভেম্বর, শনিবার, ২০২৫ ১৯:০৯:১৮
ছাতকে বহুল আলোচিত জিয়া হত্যার ঘটনায় জিয়ার স্ত্রী রানু বেগম গ্রেফতার

Manual6 Ad Code

ফকির হাসান :: ছাতকে বহুল আলোচিত জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় জড়িত থাকার সন্দেহে নিহতের স্ত্রী রানু বেগমকে (৪২) কে গ্রেফতার করেছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) ছাতক থানা পুলিশ ও র্যাবের যৌথ অভিযানে নিজ গ্রাম সিংচাপইড় ইউনিয়নের গহরপুর গ্রামের লুৎফুর রহমানের বাসা থেকে রানু বেগমকে গ্রেফতার করা হয় । হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত বাবুল মিয়াকে (৪০) গ্রেফতারের পর থেকে রানু বেগম পলাতক ছিলেন। দীর্ঘ এক সপ্তাহ ধরে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তাকে ট্র্যাক করে তার অবস্থান শনাক্ত করেন। পরে প্রায় অর্ধশত পুলিশ ও র্যাব সদস্যের অংশ গ্রহণে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জানা যায়, গ্রেফতার এড়াতে রানু বেগম, লুৎফুর রহমানের বাসায় বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে আত্মগোপন করেছিলেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছাতক থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়,গত সোমবার (২৭ অক্টোবর) সুনামগঞ্জ কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে এক অভিযানে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে মূল অভিযুক্ত বাবুল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা বাবুল মিয়াকে গ্রেফতারের পর এই চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার তদন্তে নতুন গতি এসেছে। তদন্তের জালে ইউপি চেয়ারম্যান সাহেলের সহকর্মীরা জড়িয়েছেন। সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন চেয়ারম্যানের আস্থা ভাজন কয়েক জন ব্যাক্তি। পুলিশ জানিয়েছে,প্রাথমিক তথ্যে পরিবারের সদস্যরা জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। জিয়া হত্যাকাণ্ডে প্রাথমিক তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। নিহত জিয়াউর রহমানের স্ত্রী রানু বেগম,ছেলে সালমান আহমদ এবং প্রবাসী চাচাতো ভাই মাসুক মিয়াও এই ঘটনায় জড়িত থাকার কিছু তথ্যপ্রমাণ পেয়েছে পুলিশ । তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে নেয়া হবে। ২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর সিংচাপইড় ইউনিয়নের মহদি গ্রামের প্রণব দাসের বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে জিয়াউর রহমানের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জিয়াউর রহমানের সৎভাই তাজিজুর রহমান ছাতক থানায় অজ্ঞাতনআমাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।