২২শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৮ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৩রা শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

জনতা ব্যাংকের দেড় শ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানকে দুদকের টানা ৭ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ

admin
প্রকাশিত ০২ ফেব্রুয়ারি, সোমবার, ২০২৬ ২০:৩০:৩৪
জনতা ব্যাংকের দেড় শ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানকে দুদকের টানা ৭ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ

Manual5 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

জনতা ব্যাংক থেকে ঋণের নামে প্রায় ১৩৭ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা এবং বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানকে দ্বিতীয় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাকে টানা সাত ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

Manual7 Ad Code

জিজ্ঞাসাবাদের বিবরণ

দুদক সূত্রে জানা গেছে, আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সালমান এফ রহমানকে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তায় সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আনা হয়। দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়। ১৩৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা পাচারের এই মামলায় আদালত তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।

মামলার প্রেক্ষাপট ও আসামি

গত ৮ জানুয়ারি সালমান এফ রহমানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করা হয়। মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন:

  • এ এস এফ রহমান (সালমান এফ রহমানের ভাই)।

  • আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান (সালমান এফ রহমানের ছেলে)।

  • আহমেদ শাহরিয়ার রহমান (এ এস এফ রহমানের ছেলে)।

    Manual5 Ad Code

  • এছাড়া কোজি অ্যাপারেলস ও ক্রিসেন্ট অ্যাকসেসরিজের শীর্ষ কর্মকর্তা এবং জনতা ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।

    Manual6 Ad Code

অভিযোগের মূল বিষয়বস্তু

মামলার এজাহার অনুযায়ী, আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই ‘কোজি অ্যাপারেলস লিমিটেড’ নামক একটি নতুন প্রতিষ্ঠানের নামে জনতা ব্যাংক থেকে ইডিএফ সুবিধাসহ বিপুল পরিমাণ ঋণ অনুমোদন করান। পরবর্তীতে নিজেদের মধ্যে ভুয়া আমদানি-রপ্তানি ও জাল বিল তৈরির মাধ্যমে ১৩৬ কোটি ৬৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩১ টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচার করা হয়।

Manual2 Ad Code

আইনি ধারা

আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ (বিশ্বাসভঙ্গ), ৪২০ (প্রতারণা), ৪৬৭ (জালিয়াতি) ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঋণের নামে এই অর্থ লোপাটের নেপথ্যে আর কার কার যোগসাজশ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।