
জাফলংয়ে ভাসমান দোকানের দৌরাত্ম্য, জিম্মি দোকানদাররা
ক্রাইম প্রতিবেদক :: প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সিলেটের জাফলং জিরো পয়েন্ট এলাকায় মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে ভাসমান দোকানের দৌরাত্ম্য। এসব দোকান থেকে প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
সীমান্তবর্তী পর্যটন কেন্দ্র জাফলং জিরো পয়েন্টে যেকোনো ধরনের দোকানঘর নির্মাণ নিষিদ্ধ। কিন্তু সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করেই এখানে গড়ে উঠেছে শতাধিক ভাসমান দোকান। ফলে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে অবৈধ বাণিজ্য ও দখলের প্রবণতা। দোকানিদের অভিযোগ, বল্লাঘাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির কিছু নেতা দোকানপ্রতি সাপ্তাহিক অর্থ আদায় করছেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে দোকান বসাতে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে।
একাধিক দোকানদারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়
টাকা না দিলে দোকান বসাতে দেয় না। বলে, প্রশাসনের নির্দেশ আছে।”
এ বিষয়ে জাফলং সংগ্রাম ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নায়েব সুবেদার হারুন অর রশীদ জানান, সীমান্ত এলাকায় অবৈধ দোকান স্থাপন শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসব বিষয়ে সিলেট ৪৮ বিজিবি'র সিও লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল ইসলাম জানান, সীমান্ত এলাকায় কোনো ধরনের দোকান নির্মাণ বৈধ নয়। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবো।
সিলেট জেলা প্রশাসন জানায়, জিরো পয়েন্ট এলাকায় ঝুকিপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় কোন ধরনের দোকানঘর নির্মাণ হয়ে থাকলে খুব শিগগিরই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালানো হবে। জিরো পয়েন্টে দোকান বসানো নিষিদ্ধ। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে অবৈধ ভাসমান দোকান উচ্ছেদ এবং চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।