১০ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৭শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২২শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

জামায়াত প্রার্থীর হলফনামায় তথ্য গোপন, বাতিলের দাবিতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে বিএনপির নালিশ

admin
প্রকাশিত ০৯ ফেব্রুয়ারি, সোমবার, ২০২৬ ২২:৪৯:২০
জামায়াত প্রার্থীর হলফনামায় তথ্য গোপন, বাতিলের দাবিতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে বিএনপির নালিশ

Manual6 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট | ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

Manual4 Ad Code

সিলেট-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে হলফনামায় বিপুল পরিমাণ ঋণ ও সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিলেটের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

Manual5 Ad Code

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ও সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এই অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগে তথ্য গোপনের দায়ে মাওলানা হাবিবুর রহমানের মনোনয়ন বাতিলসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

Manual8 Ad Code

অভিযোগের মূল বিষয়সমূহ: বিএনপির দাখিলকৃত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মাওলানা হাবিবুর রহমান তার নির্বাচনী হলফনামায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক তথ্য ও ঋণের কথা উল্লেখ করেননি। অভিযোগের প্রধান দিকগুলো হলো:

Manual1 Ad Code

  • পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার তথ্য: মাওলানা হাবিবুর রহমান ‘ইবনে সিনা হাসপাতাল সিলেট লিমিটেড’-এর পরিচালক এবং ‘আল কারামা মেডিক্যাল সার্ভিসেস লিমিটেড’-এর শেয়ারহোল্ডার। কিন্তু হলফনামায় তিনি এই তথ্যগুলো প্রদান করেননি।

  • বিপুল পরিমাণ ঋণ: অভিযোগে বলা হয়, ইবনে সিনা হাসপাতালের নামে প্রায় ২৪ কোটি ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৮ টাকা অনাদায়ী ঋণ রয়েছে, যা আইনগতভাবে হলফনামায় প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক হলেও তিনি তা গোপন করেছেন।

বিএনপির বক্তব্য: অভিযোগ দাখিলের পর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “জামায়াত প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান তথ্য গোপন করে নির্বাচন কমিশন ও জনগণের সাথে প্রতারণা করেছেন। এটি সরাসরি নির্বাচনী আইনের লঙ্ঘন। আমরা প্রমাণসহ অভিযোগ দিয়েছি এবং আশা করছি রিটার্নিং কর্মকর্তা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তার মনোনয়ন বাতিল করবেন।”

নির্বাচনী প্রেক্ষাপট: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানে স্থানীয় রাজনীতিতে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। একই জোটের শরিক দল হওয়া সত্ত্বেও আসনটিতে উভয় দলের শক্তিশালী প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং এখন আইনি লড়াই সাধারণ ভোটারদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং নির্বাচনী আইন অনুযায়ী এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।