
জুমার দিন মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
জুমার দিন মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বরকতময় একটি দিন। এই দিনে ইবাদত-বন্দেগি ও নেক আমল বাড়ানোর মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করা যায়। জুমার দিনে যে পাঁচটি আমল করা যেতে পারে
১. গোসল করে পরিচ্ছন্ন থাকা
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলোর একটি হলো গোসল করা ও পরিচ্ছন্ন থাকা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “তোমাদের কেউ জুমায় আসতে চাইলে সে যেন গোসল করে।” সহিহ বুখারি: ৮৭৭; সহিহ মুসলিম: ৮৪৪। তাই জুমার নামাজে যাওয়ার আগে গোসল, পরিষ্কার পোশাক পরা ও পরিচ্ছন্ন থাকা উত্তম।
২. সুগন্ধি ব্যবহার করা
জুমার দিনে পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি সুগন্ধি ব্যবহার করাও উত্তম। হাদিসে জুমার দিনের গোসল, পরিচ্ছন্নতা ও সুগন্ধি ব্যবহারের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সহিহ বুখারি: ৮৮৩। তবে এমন সুগন্ধি ব্যবহার করা উচিত নয়, যা অন্য মুসল্লিদের অস্বস্তির কারণ হয়।
৩. সূরা আল-কাহফ তিলাওয়াত
জুমার দিন বা রাতে সূরা আল-কাহফ তিলাওয়াতের বিষয়ে একাধিক বর্ণনা পাওয়া যায়। বৃহস্পতিবার সূর্যাস্তের পর থেকে শুক্রবার সূর্যাস্তের মধ্যে এটি তিলাওয়াত করা যেতে পারে।
৪. বেশি বেশি দরুদ পাঠ
জুমার দিনে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা উত্তম আমল। হাদিসে এসেছে, “তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম দিন হলো জুমার দিন। তাই সেদিন আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো।” সুনান আবু দাউদ: ১০৪৭।
৫. বেশি বেশি দোয়া করা
জুমার দিনে এমন একটি বিশেষ সময় রয়েছে, যখন দোয়া কবুল হওয়ার বিশেষ আশা করা যায়। সহিহ বুখারি: ৯৩৫; সহিহ মুসলিম: ৮৫২। তাই এ দিনে বেশি বেশি দোয়া করা উত্তম।
জুমার দিন হোক ইবাদতে সমৃদ্ধ। আসুন, এই বরকতময় দিনে বেশি বেশি নেক আমল করি এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করি।
জুমা মোবারক।