৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

জ্বালানি সংকট কাটাতে সুখবর: ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’

admin
প্রকাশিত ০৭ এপ্রিল, মঙ্গলবার, ২০২৬ ১৮:৫৫:২৯
জ্বালানি সংকট কাটাতে সুখবর: ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

দেশের জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন পরিশোধিত অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের পথে রয়েছে বিশেষায়িত জাহাজ ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’। আগামীকাল বুধবার (৮ এপ্রিল, ২০২৬) জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

অকটেনবাহী জাহাজের অবস্থান

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, মার্শাল আইল্যান্ডসের পতাকাবাহী এই জাহাজটি গত শুক্রবার (৩ এপ্রিল) মালয়েশিয়া থেকে রওনা দেয়। সর্বশেষ সোমবার (৬ এপ্রিল) রাতে জাহাজটির অবস্থান ছিল আন্দামান সাগরে। বর্তমান জ্বালানি সংকটের মাঝে এই ২৬ হাজার টন অকটেন দেশের অভ্যন্তরীণ সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এলএনজি ও এলপিজি নিয়ে আরও দুই জাহাজ

অকটেন ছাড়াও এলপিজি ও এলএনজি নিয়ে আরও দুটি জাহাজ বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে অবস্থান করছে।

  • এলএনজি: নাইজেরিয়া থেকে এলএনজি নিয়ে এসেছে ‘কুল ভয়েজার’ নামের একটি জাহাজ (স্থানীয় এজেন্ট: ইন্টারপোর্ট)।

  • এলপিজি: চীন থেকে এলপিজি নিয়ে এসেছে ‘গ্যাস জার্নি’ নামের জাহাজটি (স্থানীয় এজেন্ট: ইউনাইটেড শিপিং)। খালাস কার্যক্রম শেষে আগামীকাল বুধবার জাহাজ দুটি বন্দর ত্যাগ করার কথা রয়েছে।

খালাস কার্যক্রম ও তদারকি

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, বর্তমানে বন্দরের জলসীমায় চারটি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তিনি বলেন:

“জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তেল ও গ্যাস খালাস করা হচ্ছে। গত ৩১ মার্চ ভারত থেকে আসা ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ থেকে ভাটিয়ারিতে এলপিজি খালাস চলছে। এছাড়া ৩ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে ডিজেল নিয়ে আসা ‘শ্যান গ্যাং ফা শিয়ান’ থেকেও জ্বালানি সংগ্রহ করা হচ্ছে।”

সরকারের সরবরাহ পরিকল্পনা

বিপিসি জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা থাকলেও দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার বিকল্প উৎস থেকে আমদানির প্রক্রিয়া জোরদার করেছে। নিয়মিত জাহাজ আগমন ও খালাস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাজার স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা চলছে।