২৮শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৪ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৯ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

ট্রেনের ছাদেও তিলধারণের ঠাঁই নেই: কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ, শ্রীপুরে উপচে পড়া ভিড়

admin
প্রকাশিত ২৮ মার্চ, শনিবার, ২০২৬ ১৭:০৪:৩২
ট্রেনের ছাদেও তিলধারণের ঠাঁই নেই: কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ, শ্রীপুরে উপচে পড়া ভিড়

Manual8 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক, শ্রীপুর (গাজীপুর) শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে নাড়ির টান ছেড়ে আবারও কর্মব্যস্ত যান্ত্রিক জীবনে ফিরছে মানুষ। গতকাল শুক্রবার থেকেই শুরু হয়েছে ঢাকামুখী মানুষের স্রোত। আজ শনিবার গাজীপুরের শ্রীপুর রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিটি ট্রেনেই যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। আগামীকাল রবিবার থেকে দেশের শিল্প-কারখানাগুলো খুলে দেওয়ার ঘোষণায় এই ভিড় কয়েকগুণ বেড়েছে।

ট্রেনের ছাদেও জীবনের ঝুঁকি

মোহনগঞ্জ ও ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ট্রেনগুলোতে দেখা গেছে তিলধারণের ঠাঁই নেই। বগির ভেতরে জায়গা না পেয়ে শত শত যাত্রী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের ছাদে এবং ইঞ্জিনের সামনে বসে গন্তব্যে রওনা হয়েছেন। অনেককে ট্রেনের দরজায় ঝুলে যাতায়াত করতে দেখা গেছে। অতিরিক্ত যাত্রীর ভারে ট্রেনগুলো নির্ধারিত গতির চেয়ে ধীরগতিতে চলছে, ফলে গন্তব্যে পৌঁছাতে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি সময় লাগছে।

দুর্ভোগে নারী ও শিশুরা

তীব্র গরম আর ট্রেনের ভেতরে গাদাগাদি অবস্থার কারণে যাত্রীরা হাঁসফাঁস করছেন। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের অবস্থা সবচেয়ে করুণ। অনেক যাত্রী শ্রীপুর স্টেশন থেকে ভিড়ের কারণে ট্রেনে উঠতে না পেরে বাধ্য হয়ে বিকল্প হিসেবে সড়কপথ বেছে নিচ্ছেন। তবে সড়কপথে যানজটের আশঙ্কায় ভোগান্তি থাকলেও ট্রেনের এই বিপজ্জনক যাত্রাকেই অনেকে শেষ ভরসা হিসেবে নিয়েছেন।

Manual8 Ad Code

রেল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

শ্রীপুর রেলওয়ে স্টেশনমাস্টার শামীমা জাহান জানান:

Manual7 Ad Code

“ঈদের ছুটি শেষ হওয়ায় শুক্রবার থেকেই যাত্রীদের প্রচণ্ড চাপ শুরু হয়েছে। মোহনগঞ্জ ও ময়মনসিংহ থেকে আসা প্রতিটি ট্রেনেই ধারণক্ষমতার কয়েকগুণ বেশি যাত্রী থাকছে। এমনকি ছাদগুলোতেও মানুষ গাদাগাদি করে যাচ্ছে। আমরা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছি।”

Manual3 Ad Code


একনজরে আজকের পরিস্থিতি:

  • প্রধান গন্তব্য: ঢাকা ও আশপাশের শিল্প এলাকা।

    Manual4 Ad Code

  • চাপের কারণ: আগামীকাল রবিবার থেকে গার্মেন্টস ও শিল্প-কারখানা সচল হওয়া।

  • প্রধান সমস্যা: ট্রেনের ছাদ ও দরজায় ঝুঁকিপূর্ণ ভ্রমণ, প্রচণ্ড গরম এবং শিডিউল বিপর্যয়।