৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৪ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

তোফাজ্জল হোসেন হত্যা মামলা

admin
প্রকাশিত ০৬ জানুয়ারি, মঙ্গলবার, ২০২৬ ২১:১৭:৫৪
তোফাজ্জল হোসেন হত্যা মামলা

Manual5 Ad Code

সম্পূরক চার্জশিটে আরও ৭ জন অভিযুক্ত, মোট আসামি ২৮

ঢাকা, ৭ জানুয়ারি — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে তোফাজ্জল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার মামলায় আরও সাতজনকে অভিযুক্ত করে সম্পূরক অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়েছে। এর মাধ্যমে এ মামলায় মোট অভিযুক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৮ জনে।

Manual7 Ad Code

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হান্নানুল ইসলাম গত ১৭ ডিসেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আজ মঙ্গলবার শাহবাগের সাধারণ নিবন্ধন কার্যালয় থেকে আদালতের প্রসিকিউশন দপ্তর অভিযোগপত্র দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

Manual1 Ad Code

সম্পূরক অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত সাতজন হলেন—ফজলুল হক মুসলিম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী শেখ রমজান আলী (২৫), রাশেদ কামাল অনিক (২৩), মো. মনিরুজ্জামান সোহাগ (২৪), আবু রায়হান (২৩), রেদোয়ানুর রহমান পারভেজ (২৪), রাব্বিকুল রিয়াদ (২৩) ও আশরাফ আলী মুন্সী (২৬)।

এর আগে ২০২৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর শাহবাগ থানার পুলিশ পরিদর্শক আসাদুজ্জামান ২১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। তবে ছয় আসামির জবানবন্দিতে নাম আসা আটজনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ায় বাদী নারাজি দেন। নারাজির শুনানি শেষে ২০২৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি আদালত মামলার অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন।

প্রথম অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত ২১ জনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে ফজলুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক উপবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক মো. জালাল মিয়াসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা রয়েছেন।

Manual8 Ad Code

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে ফজলুল হক মুসলিম হলে ৩৫ বছর বয়সী তোফাজ্জল হোসেনকে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে আটক করা হয়। অভিযুক্তরা ক্ষতিপূরণ হিসেবে তাঁর পরিবারের কাছে ৩৫ হাজার টাকা দাবি করেন। তোফাজ্জলের মামা আব্দুর রব মিয়া টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে মারধর করা হয়। পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তোফাজ্জল হোসেনের মৃত্যু হয়।

Manual6 Ad Code

ঘটনার পরদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ শাহবাগ থানায় মামলা করেন। পরবর্তীতে নিহতের ফুফাতো বোন আসমা আক্তার হলের প্রভোস্টসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করেন। আদালত দুই মামলাকে একসঙ্গে তদন্তের নির্দেশ দেন।