
গণভোটে পাস হওয়া প্রস্তাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে যুক্ত হবে: জাতীয় ঐকমত্য কমিশন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নিয়মিত কাজের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসাবেও কার্যক্রম চালাবে। পরিষদের মেয়াদ হবে ২৭০ দিন (৯ মাস)। এই মেয়াদের মধ্যে গণভোটে পাস হওয়া প্রস্তাবগুলো সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে না পারলেও তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে যুক্ত হয়ে যাবে।
আজ মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশ জমা দেয় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। পরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরেন কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
কমিশন জানায়, সংবিধান-সংক্রান্ত প্রস্তাবগুলো খসড়া বিল (সংবিধান সংশোধনী আইনের খসড়া) আকারে তৈরি করবে সরকার। বিলটি গণভোটে পাস হলে সংবিধান সংস্কার পরিষদ মূল ভাব ঠিক রেখে প্রস্তাবগুলো অনুমোদন করবে। তবে ২৭০ দিনের মেয়াদের মধ্যে অনুমোদন না হলে প্রস্তাবগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে।
গণভোট আয়োজনের নির্দিষ্ট সময়সীমা কমিশন বেঁধে দেয়নি। আলী রীয়াজ বলেন, “জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারির পর থেকে জাতীয় নির্বাচনের দিন পর্যন্ত যেকোনো দিন গণভোট আয়োজন করা যেতে পারে।”
কমিশন আরও উল্লেখ করেছে, গণভোট প্যাকেজ আকারে একটি প্রশ্নে হবে, যেখানে জনগণের কাছে সনদ ও খসড়া বিল সমর্থন করার বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হবে। এছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর ‘নোট অব ডিসেন্ট’ নিয়ে কমিশনের পরামর্শ, এগুলো জনগণের কাছে নিয়ে যাওয়া এবং জনগণের রায় পাওয়ার পর রাজনৈতিক দল নিজ সিদ্ধান্ত নেবে।