
নিজস্ব প্রতিবেদক, দক্ষিণ সুরমা | ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
দক্ষিণ সুরমার অন্যতম সামাজিক ও শিক্ষামূলক সংগঠন ‘এ্যামেতি’-র উদ্যোগে চতুর্থ মেরিট স্কলারশিপ-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠান যথাযোগ্য মর্যাদায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর ২টায় হাজী রাশীদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে জাঁকজমকপূর্ণ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও উচ্চশিক্ষায় উৎসাহ প্রদানের লক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির মোট ২৫ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর হাতে বৃত্তির অর্থ তুলে দেওয়া হয়। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে এক বছরের বেতনসহ নগদ ৬,০০০ টাকা করে মোট ১,৫০,০০০ (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা প্রদান করা হয়।
হাজী রাশীদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিশ্বনাথ চক্রবর্তী-র সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের যুগ্ম আহবায়ক সাহেদ আহমেদ-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ রমজান আলী। প্রধান আলোচক হিসেবে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন স্টার লাইট স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেটের পরিচালক ড. মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম বাবুল।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন:
মোহাম্মদ আব্দুস ছালাম, প্রধান শিক্ষক, মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ উচ্চ বিদ্যালয় ও সভাপতি, বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি (দক্ষিণ সুরমা)।
মোঃ মকব্বির আলী, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সিরাজ উদ্দিন আহমদ একাডেমি।
মোঃ আজম আলী, সহকারী শিক্ষক, আলহাজ্ব তাহির আলী উচ্চ বিদ্যালয়।
মোঃ মাসুক আহমদ, প্রধান শিক্ষক, হাজী হামিদ আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ইমরান আহমদ, মোঃ বাবলু মিয়া, সমাজসেবক আব্দুল জলিল (তালুকদার) মেম্বার, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য এনামুল হক মাক্কু ও শেখ নাসির উদ্দীনসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সংগঠনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সদস্য জায়দুল ইসলাম, কয়েছ আহমদ, আব্দুল্লাহ আল-মামুন, শামীম আহমদ, নোমান আহমদ, সুজন দেব নাথ প্রমুখ।
আয়োজকরা জানান, ‘এ্যামেতি’ দীর্ঘ দিন ধরে আর্তমানবতার সেবা ও শিক্ষার প্রসারে কাজ করে যাচ্ছে। মেধাবৃত্তির পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাল্যবিবাহ রোধ এবং শিশু শ্রম বন্ধে মাঠপর্যায়ে আরও জোরালো ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে সংগঠনের প্রয়াত সদস্য মরহুম সুন্দর আলী-র রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক আবু তাহের। মোনাজাতের মাধ্যমেই অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।