১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

না ফেরার দেশে চলে গেলেন মতিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা হাজী আব্দুল জলিল,বিভিন্ন মহলের শোক প্রকাশ।

admin
প্রকাশিত ০৯ জানুয়ারি, শুক্রবার, ২০২৬ ১২:৩০:২০
না ফেরার দেশে চলে গেলেন মতিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা হাজী আব্দুল জলিল,বিভিন্ন মহলের শোক প্রকাশ।

Manual2 Ad Code

না ফেরার দেশে চলে গেলেন মতিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা
হাজী আব্দুল জলিল,বিভিন্ন মহলের শোক প্রকাশ।

রবিউল ইসলাম ফজর, সিলেট দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধি :

Manual4 Ad Code

সিলেটের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ​মতিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক,শিক্ষা অনুরাগী হাজী আব্দুল জলিল আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার লন্ডন সময় ভোর ৪,১০ মিনিটে বার্ধক্যজনিত কারণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল আনুমানিক ৮৫ বছর। মৃত্যুকালে ওনার অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। মরহুম আবদুল জলিল সাহেবের, ছেলে মাছুম মিয়া ও একজন সফল ব্যবসায়ী বর্তমানে মতিয়া গ্রুপের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন, এবং লন্ডনে বসবাস করেও দেশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি মানবতার কল্যাণেও কাজ করেন এক কথায় মানবতার ফেরিওয়ালা বলা হয়, মাছুম মিয়া কে।

Manual1 Ad Code

​তিনি কেবল একজন সফল ব্যবসায়ীই ছিলেন না, বরং আর্তমানবতার সেবা এবং শিক্ষা বিস্তারে তাঁর অবদান ছিল অপরিসীম। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় এবং ব্যবসায়ী মহলে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
​শোকের ছায়া ও বিশিষ্টজনদের প্রতিক্রিয়া
​হাজী আব্দুল জলিল সাহেবের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শোকবার্তায় তাঁরা বলেন:
​”আমরা একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবককে হারালাম। তাঁর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।”
​শিক্ষা খাতে তাঁর অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন।
​ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ তাঁকে একজন সৎ ও দূরদর্শী উদ্যোক্তা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
​সংক্ষিপ্ত কর্মজীবন ও অবদান
​হাজী আব্দুল জলিল তাঁর কঠোর পরিশ্রম এবং সততার মাধ্যমে মতিয়া গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। ব্যবসার পাশাপাশি তিনি অসংখ্য মসজিদ, মাদ্রাসা এবং স্কুল প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় সক্রিয় ছিলেন। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি একজন দানবীর ও পরোপকারী মানুষ হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন। তিনি স্থায়ী ভাবে লন্ডনে বসবাস করছেন দীর্ঘদিন থেকে।
​জানাজা ও দাফন, ইংল্যান্ডের লন্ডন শহরে হবে।

​মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করা হয়েছে।

Manual6 Ad Code