৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২০শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৬ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

নিপীড়িত মানুষের নেতা মওলানা ভাসানীর বীরত্বগাথা অতীত

admin
প্রকাশিত ১৮ নভেম্বর, মঙ্গলবার, ২০২৫ ১৫:২৮:১৮
নিপীড়িত মানুষের নেতা মওলানা ভাসানীর বীরত্বগাথা অতীত

Manual2 Ad Code

নিপীড়িত মানুষের নেতা মওলানা ভাসানীর বীরত্বগাথা অতীত!

 

Manual8 Ad Code

সুনির্মল সেন :: মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী ছিলো ১৭ নভেম্বর, রোজ সোমবার। ১৯৭৬ সালের এ দিন ঢাকার পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশের টাঙ্গাইলের সন্তোষে তাকে দাফন করা হয়।

Manual1 Ad Code

মওলানা ভাসানী তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নিপীড়িত ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার রক্ষায় আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের সয়া-ধানগড়া গ্রামে জন্ম নেয়া ভাসানী ১৯০৩ সালে বিপ্লবী চেতনার সঙ্গে এবং ১৯০৭ সালে ইসলামি শিক্ষার উদ্দেশ্যে দেওবন্দ মাদ্রাসায় যুক্ত হন। ১৯১৭ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের ভাষণে অনুপ্রাণিত হয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে আসেন।

Manual1 Ad Code

১৯২৩ সালে ‘স্বরাজ্য পার্টি’ গঠনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং ১৯২৬ সালে আসামে কৃষক-প্রজা আন্দোলন শুরু করেন। ১৯২৯ সালে ধুবড়ীর ভাসান চরে কৃষক সম্মেলন আয়োজনের মাধ্যমে ‘ভাসানী’ উপাধি যুক্ত হয় তার নামের সঙ্গে।

দীর্ঘদিন বাংলা-আসাম প্রদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৭ সালে পুর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ গঠন করেন মাওলানা ভাষানী। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠনে অগ্রণী ভূমিকা এবং ১৯৫৭ সালের ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলনে পশ্চিম পাকিস্তানের বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার ‘খামোশ’ উচ্চারণ রাজনৈতিক ইতিহাসে মাইলফলক।

স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি ছিলেন তিনি। সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে তিনি দেশব্যাপী ‘মজলুম জননেতা’ হিসেবে পরিচিতি পান।

Manual5 Ad Code

(কবি ও সিনিয়র সাংবাদিক)