৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৩শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৮ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ, অন্তর্বর্তী সরকারকে সতর্ক করলেন ফয়জুল করীম

admin
প্রকাশিত ২৩ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার, ২০২৫ ২৩:৩০:৫৫
নির্বাচনে নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ, অন্তর্বর্তী সরকারকে সতর্ক করলেন ফয়জুল করীম

Manual8 Ad Code

বরিশাল, ২৩ ডিসেম্বর:
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেছেন, দেশ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। এ অবস্থা থেকে দেশকে উদ্ধার করতে হলে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অপরিহার্য।

Manual3 Ad Code

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে বরিশাল প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

Manual2 Ad Code

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সতর্ক করে ফয়জুল করীম বলেন, “কোনো ধরনের তালিবালি নির্বাচন করার চেষ্টা করবেন না।” তিনি বলেন, জনগণের আস্থা ফেরাতে হলে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষতার প্রমাণ দিতে হবে।

নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে তিনি বলেন, “বিতর্কিত নির্বাচন আয়োজনের কারণে সাবেক কয়েকজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মবের শিকার হয়েছেন। আমরা চাই না ভবিষ্যতে কোনো সিইসি এমন পরিস্থিতির মুখে পড়ুক।”

Manual3 Ad Code

এ সময় বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে ফয়জুল করীম অভিযোগ করেন, “নিজেদের শক্তিশালী দল দাবি করা একটি দলের কর্মীরা বরিশালের নির্বাচনী মাঠে হুমকি-ধমকি দেওয়া শুরু করেছে, যা উদ্বেগজনক।”

আসন্ন নির্বাচনে জামায়াতসহ আট দলের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হিসেবে তিনি বরিশাল-৫ (মহানগর-সদর) ও বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী বলে জানান। বরিশাল-৫ আসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি আমার বাপ-দাদার জন্মভূমি। এ আসন অন্য কোনো দল দাবি করা ধৃষ্টতাপূর্ণ আচরণ। আমরা তো জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের আসন গিয়ে দাবি করব না; তাদেরও উচিত নয় আমাদের আসন দাবি করা।”

Manual2 Ad Code

মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল মহানগরের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি নাসির উদ্দিন নাইস, নির্বাহী সদস্য মো. হালিম, শ্রমিক আন্দোলনের মহানগর সভাপতি সৈয়দ নাসির আহমেদ কাওছার, ইসলামী যুব আন্দোলনের জেলা সভাপতি হাফেজ মো. সানাউল্লাহসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।