নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) সংসদীয় আসনের কলাপাড়া উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় খেলাফত মজলিসের ‘দেওয়াল ঘড়ি’ প্রতীকের কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ধোলাশার ইউনিয়নে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলার বিবরণ ও ক্ষয়ক্ষতি
জানা গেছে, ধোলাশার ইউনিয়নে দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে গণসংযোগ করছিলেন খেলাফত মজলিসের নেতা-কর্মীরা। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় বিএনপি সমর্থিত একদল ব্যক্তি অতর্কিত এই হামলা চালায়। হামলায় খেলাফত মজলিসের ৩ জন দায়িত্বশীল নেতা গুরুতর জখম হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শীর্ষ নেতৃত্বের হুঁশিয়ারি
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে খেলাফত মজলিসের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ ও সদস্য সচিব অধ্যাপক আব্দুল জলিল একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তারা বলেন:
“পেশীশক্তির অপরাজনীতি আবার শুরু হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় আমাদের প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে, বিলবোর্ড ও প্রচারপত্র ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। আমরা পটুয়াখালীর এই বর্বরোচিত হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং অবিলম্বে হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।”
ইসির প্রতি আহ্বান
খেলাফত মজলিস নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে নির্বাচনী সংঘাত বন্ধে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। তারা বলেন, জনগণ আর কোনো ধরনের সন্ত্রাস বা পেশীশক্তির তাণ্ডব মেনে নেবে না। সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে স্থানীয় রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধিরও দাবি জানান তারা।
প্রাসঙ্গিক মন্তব্য: আজ একই দিনে রংপুরে এনসিপি প্রার্থী এবং পটুয়াখালীতে খেলাফত মজলিসের পক্ষ থেকে বিএনপির বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ আসায় নির্বাচনী মাঠে এক ধরণের উত্তপ্ত পরিস্থিতির আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এই সংঘাত আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের নজরদারির বিষয় হতে পারে।