৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

পাথর কাণ্ডে দুদকের প্রতিবেদনে অভিযুক্ত বিভাগীয় কমিশনারকে সাথে নিয়ে সাদা পাথর পরিদর্শন করলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব বললেন লুট নয় হয়েছে হরি লুট::

admin
প্রকাশিত ২২ আগস্ট, শুক্রবার, ২০২৫ ১৯:০৮:৩৮
পাথর কাণ্ডে দুদকের প্রতিবেদনে  অভিযুক্ত বিভাগীয় কমিশনারকে সাথে নিয়ে  সাদা পাথর পরিদর্শন করলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব বললেন লুট নয়  হয়েছে হরি লুট::

Manual8 Ad Code

জড়িতরা দলের কিংবা প্রশাসনেরই হঊক কেউই ছাড় পাবে না- জনপ্রশাসন সচিব

Manual6 Ad Code

এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া :

কাউকেই আইনের বাইরে রাখা হবে না।শুক্রবার সকালে ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর এলাকা পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো: মোখলেস উর রহমান।তিনি আরও জানান, সাদাপাথরসহ অন্যান্য পর্যটনকেন্দ্রকে ঘিরে বিশেষ প্যাকেজ কর্মসূচি নেওয়া হবে। পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টা সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে সাদাপাথর এলাকা।শুক্রবার সকালে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাদাপাথর পরিদর্শনে যায় মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ গঠিত উচ্চ পর্যায়েরতেদন্ত কমিটি। যার নেতৃত্বে রয়েছেন জনপ্রশাসন সচিব। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব সাইফুল ইসলাম, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, সিলেটের জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

 

Manual5 Ad Code

 

Manual1 Ad Code

তারা সাদাপাথর ঘুরে দেখেন এবং সেখানকার স্থানীয় লোকজন ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেন।গত ২০ আগস্ট সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্রে পাথর লুটের ঘটনায় মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ পাঁচ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটিকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে মাঠপর্যায়ে পরিদর্শনে আসেন তারা।কমিটি গঠন নিয়ে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ থেকে বলা হয়- সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর পর্যটন স্পট ও রেলওয়ে বাংকার এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের ফলে পরিবেশ ও পর্যটন স্থানের নান্দনিকতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে অবৈধ পাথর উত্তোলনের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি তদন্তের উদ্যোগ নেয় সরকার।অফিস আদেশে আরও বলা হয়, প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় মতামতসহ প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।
উল্লেখ্য, দুদকের তদন্ত প্রতিবেদনে পাথর লুটকারিদের উৎসাহদাতা হিসেবে অভিযুক্ত সিলেটের প্রশাসনের প্রধান কর্তা বিভাগীয় কমিশনার খান মোহাম্মদ রেজাউন নবী কে সাথে নিয়ে পাথর কাণ্ডে মন্ত্রিপরিষদের করা উচ্চতর তদন্ত কমিটির প্রধান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো: মোখলেস উর রহমান সাদা পাথর স্পট পরিদর্শন সুন্দরভাবে দেখছে না সিলেটের সচেতন মহল। তবে তাদের দাবি অভিযুক্ত বা তদন্তে প্রমাণিত কেউ যেন বাদ পড়ে না আইনের চোখ থেকে। পাথর কাণ্ডে জড়িত প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বদলি করায় যেন শেষ না হয় পরিনতি। পাশাপাশি তারা পাথর কাণ্ডের তদন্ত রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখারও দাবি করেন। কারণ বিএনপি , জামায়াতেম ইসলামী ও এনসিপি যেভাবে সংবাদ সম্মেলন করে পাথর কাণ্ডে জড়িত নয় বলে নিজেকে নির্দোষ দাবি করছেন। তাতে মনে হচ্ছে এ ঘটনা থেকে মুক্তি পেত প্রভাব বিস্তার করতে পারেন। তবে তাদের নির্দোষ দাবি প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে তাহলে আসলে পাথর লুট কারী কে?

Manual2 Ad Code