১০ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৭শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২২শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

পাসকার্ড নিয়ে ডিসি অফিসে ‘ভানুমতির খেল’: বিভ্রান্তিতে সিলেটের সাংবাদিকরা

admin
প্রকাশিত ০৯ ফেব্রুয়ারি, সোমবার, ২০২৬ ২২:৫৫:৩৫
পাসকার্ড নিয়ে ডিসি অফিসে ‘ভানুমতির খেল’: বিভ্রান্তিতে সিলেটের সাংবাদিকরা

Manual1 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট | ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

Manual1 Ad Code

সিলেটে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের পাসকার্ড বিতরণ নিয়ে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে ‘লুকোচুরি’ খেলার অভিযোগ উঠেছে। বারবার পাসকার্ড বিতরণের তারিখ ও সময় পরিবর্তন করায় সিলেটের গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। সাংবাদিকদের অভিযোগ, পেশাগত দায়িত্ব পালনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতেই জেলা প্রশাসন এমন ‘কুটকৌশল’ অবলম্বন করছে।

Manual4 Ad Code

তারিখ পরিবর্তনের মহোৎসব: সরেজমিনে ডিসি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, সাংবাদিকদের পাসকার্ড বিতরণের সময় নিয়ে একেকবার একেক নোটিশ ঝুলানো হচ্ছে। ঘটনার বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:

  • প্রথমে নোটিশ দেওয়া হয়— ৯ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টায় কার্ড বিতরণ করা হবে।

    Manual1 Ad Code

  • পরবর্তীতে সেই নোটিশ সরিয়ে জানানো হয়— ১০ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টায় কার্ড দেওয়া হবে।

  • আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে ডিসি অফিসে গিয়ে দেখা যায় নতুন নোটিশ— যেখানে তারিখ বদলে করা হয়েছে ১১ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টা।

    Manual5 Ad Code

  • বিস্ময়করভাবে আজ সোমবার বিকেল ৫টায় আবার দেখা যায়, আগের নোটিশ বদলে পুনরায় ১০ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের ক্ষোভ: ডিসি অফিসের দরজায় বারবার নোটিশ পরিবর্তনের এই ঘটনাকে সাংবাদিকরা ‘ভানুমতির খেল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমের কর্মীরা বলছেন, নির্বাচনের মাত্র দুদিন আগে কার্ড নিয়ে এই টালবাহানা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সঠিক সময়ে পাসকার্ড এবং যানবাহনের অনুমতিপত্র না পেলে ভোটগ্রহণের দিন সংবাদ সংগ্রহ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা ও অনিশ্চয়তা: নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকেই যান চলাচলের ওপর কঠোর বিধি-নিষেধ শুরু হবে। অনুমোদিত কার্ড ছাড়া কোনো যানবাহন সড়কে চলতে পারবে না। এমন অবস্থায় যদি ১০ বা ১১ তারিখ পর্যন্ত কার্ড ঝুলে থাকে, তবে সাংবাদিকরা কীভাবে তাদের কর্মস্থলে বা নির্বাচনী এলাকায় পৌঁছাবেন, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সিলেটের সচেতন সাংবাদিক সমাজ এই অব্যবস্থাপনার অবসান ঘটিয়ে দ্রুত পাসকার্ড নিশ্চিত করার জন্য জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অন্যথায় পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টির অভিযোগে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।