১লা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১২ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

পুলিশ হত্যার বিচার প্রসঙ্গে রাজনৈতিক উত্তাপ: তোপের মুখে এনসিপি ও জামায়াত!

admin
প্রকাশিত ২৮ ফেব্রুয়ারি, শনিবার, ২০২৬ ২৩:০৯:২৪
পুলিশ হত্যার বিচার প্রসঙ্গে রাজনৈতিক উত্তাপ: তোপের মুখে এনসিপি ও জামায়াত!

Manual6 Ad Code

ডেস্ক নিউজ | ঢাকা

Manual7 Ad Code

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় নিহত পুলিশ সদস্যদের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে দেশজুড়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচারের আশ্বাস দেওয়ার পর থেকেই রাজপথের সক্রিয় শক্তি হিসেবে পরিচিত জামায়াত-শিবির ও এনসিপি-র (জাতীয় নাগরিক কমিটি) নেতাদের মধ্যে অস্বস্তি লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন।

Manual8 Ad Code

আন্দোলনের কৃতিত্ব ও বর্তমান বিবাদ

আন্দোলনের শুরু থেকেই জামায়াত-শিবির ও নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছিল যে, শেখ হাসিনা সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার মূল কারিগর তারাই। কিন্তু এখন যখন পুলিশ সদর দপ্তর ও বিভিন্ন থানায় হামলা ও পুলিশ হত্যার বিচারের প্রশ্ন সামনে আসছে, তখন দলগুলোর অবস্থানে কিছুটা পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।

Manual3 Ad Code

আগে “একক কৃতিত্ব” দাবি করলেও, এখন তারা বলছেন—এই আন্দোলন কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়, বরং বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোও এতে সমভাবে অংশ নিয়েছিল। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিচার প্রক্রিয়ার দায়ভার থেকে বাঁচতেই এখন সম্মিলিত আন্দোলনের দোহাই দেওয়া হচ্ছে।

নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর বক্তব্য ও রাজনৈতিক আতঙ্ক

সম্প্রতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর নামে মামলা হওয়ার খবর চাউর হলে তিনি তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তার এই প্রতিক্রিয়াকে অনেকে রাজনৈতিক “ভীতি” হিসেবে দেখছেন। সমালোচকরা প্রশ্ন তুলছেন, রাজপথের লড়াকু দাবিদাররা আইনি প্রক্রিয়ার কথা শুনেই কেন বিচলিত হয়ে পড়ছেন?

Manual1 Ad Code

আওয়ামী লীগের অফিস খোলার গুঞ্জন

এরই মধ্যে গুঞ্জন উঠেছে যে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়া চলছে। এই খবরটি জামায়াত ও নাগরিক কমিটির মধ্যে নতুন করে উৎকণ্ঠার সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগের ফিরে আসার সম্ভাবনা বর্তমান রাজনৈতিক মেরুকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

বিচার নিয়ে সরকারের অবস্থান

সরকারের সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টারা বারবার নিশ্চিত করেছেন যে, জুলাই বিপ্লবের সময় সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডেরই নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার হবে। কোনো নির্দিষ্ট পক্ষকে সুবিধা দেওয়া বা কাউকে অন্যায়ভাবে ফাঁসানোর কোনো সুযোগ নেই। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ ও ছাত্র-জনতা—উভয় পক্ষের নিহতের বিচার করাকে অপরিহার্য মনে করছে প্রশাসন।