বাজারে পেঁয়াজের অস্বাভাবিক দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে স্বল্প পরিসরে আমদানির সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি)।
কমিশনের মতে, পেঁয়াজের বাড়তি দামের সুফল কৃষকরা পাচ্ছে না; বরং মধ্যস্বত্বভোগীরাই বেশি লাভবান হচ্ছে। তাই আমদানির সুযোগ দিলে বাজারে তাঁদের প্রভাব কমবে এবং ভোক্তারা যৌক্তিক মূল্যে পেঁয়াজ কিনতে পারবে।
গত বৃহস্পতিবার বাণিজ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়কে দেওয়া এক চিঠিতে এই সুপারিশ পাঠানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, গত এক সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম বেড়ে প্রতি কেজি ১২০ টাকায় পৌঁছেছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৭০–৮০ টাকা। ফলে দ্রুত আমদানির অনুমতি দেওয়া প্রয়োজন।
টিসিবির তথ্যমতে, এক সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে প্রায় ৪০ টাকা কেজিতে।
ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান মইনুল খান বলেন, কিছু মধ্যস্বত্বভোগী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ১১৫ টাকার ওপরে, অথচ পার্শ্ববর্তী দেশে এটি মাত্র ৩০ টাকার মতো।
তিনি জানান, সীমিত পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিলে বাজারে স্থিতি ফিরবে।
ট্যারিফ কমিশনের তথ্যানুসারে, বাংলাদেশের পেঁয়াজ আমদানির ৯৯ শতাংশ আসে ভারত থেকে, বাকি অংশ তুরস্ক, পাকিস্তান, মিয়ানমার, চীন ও মিসর থেকে। গত অর্থবছরে মোট ৪ লাখ ৮৩ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছিল। বর্তমানে পেঁয়াজের ওপর মোট ১০ শতাংশ শুল্ক-কর প্রযোজ্য।