২৪শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১০ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৫ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা শুরু ২৮ জানুয়ারি: মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

admin
প্রকাশিত ২৩ জানুয়ারি, শুক্রবার, ২০২৬ ১৭:২৭:৩৭
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা শুরু ২৮ জানুয়ারি: মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

Manual1 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে এই পরীক্ষা চলবে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

পরীক্ষার স্থান ও সময়

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, জেলাপর্যায়ে এই মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। যেসব জেলায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি, সেখানে একাধিক বোর্ডের মাধ্যমে দ্রুত পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে। পরীক্ষার নির্দিষ্ট তারিখ, সময় ও স্থান সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে পাওয়া যাবে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সত্যায়ন

মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করতে হবে:

Manual6 Ad Code

  • সত্যায়ন ও জমা: সব কাগজপত্রের ফটোকপি ন্যূনতম নবম গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তা দিয়ে সত্যায়িত করে ২৭ জানুয়ারির মধ্যে নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে।

    Manual7 Ad Code

  • মূল সনদ প্রদর্শন: কাগজপত্র জমার সময় মূল সনদগুলো জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেখাতে হবে এবং প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

  • পরীক্ষার দিন: মৌখিক পরীক্ষার দিন সব মূল সনদ, প্রাপ্তি স্বীকারপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাথে আনতে হবে।

    Manual3 Ad Code

বিশেষ কোটার জন্য প্রয়োজনীয় সনদ

  • মুক্তিযোদ্ধা কোটা: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গেজেট ও সম্পর্ক সনদের সত্যায়িত কপি।

  • প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ: সমাজসেবা অধিদপ্তরের সনদ (সুবর্ণ নাগরিক কার্ডধারী)।

    Manual7 Ad Code

  • ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা জেলা প্রশাসকের সনদ।

নিয়োগ পরীক্ষার পরিসংখ্যান

উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় ৮ লাখ ৩০ হাজার ৮৮ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। গত ২১ জানুয়ারি প্রকাশিত ফলাফলে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬৯ হাজার ২৬৫ জন। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দুই ধাপে মোট ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে (প্রথম ধাপে ১০ হাজার ২১৯টি এবং দ্বিতীয় ধাপে ৪ হাজার ১৬৬টি)।