ঢাকা: গত এক বছরে বাংলাদেশ ফুটবল দল অভাবনীয় উন্নতির গ্রাফ দেখিয়েছে, যা ফুটবল বিশ্ব এবং ফিফার নজরেও পড়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দলগুলোর কাছে বাংলাদেশ এখন একটি শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ তাদের ক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে।
প্রবাসী খেলোয়াড়দের অবদান ও দলীয় আত্মবিশ্বাস: বাংলাদেশ দলের এই পরিবর্তনের পেছনের অন্যতম কারণ হল প্রবাসী ফুটবলারদের দলে যোগদান। হামজা চৌধুরী, সোমিত সোম, ফাহমিদুল ইসলাম, এবং জায়ান আহমেদরা দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশ ফুটবল দল অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। কোচ হাভিয়ের কাবরেরার অধীনে বাংলাদেশ চমৎকার ফুটবল খেলছে এবং দলীয় পারফরম্যান্সে ভক্তদের মন জয় করেছে।
সাফল্যের খতিয়ান ও আসন্ন ম্যাচ: বাছাইপর্বের প্রথম ম্যাচে ভারতের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্রয়ের পর নিজেদের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে শেখ মোরসালিনের একমাত্র গোলে জয়ের স্বাদ পায় বাংলাদেশ। এছাড়া হংকং ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষেও বাংলাদেশ দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে। যদিও বাছাইপর্ব থেকে বাদ পড়েছে বাংলাদেশ, কিন্তু তারা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে আগামী ৩১ মার্চ সিঙ্গাপুরের মাঠে শেষ ম্যাচ খেলতে যাবে।
ফিফার প্রশ্ন ও ভক্তদের প্রতিক্রিয়া: বাংলাদেশ দলের এই বদলে যাওয়া পারফরম্যান্স দেখে ভক্তরা এখন বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার পরাশক্তি হিসেবে ভাবতে শুরু করেছে। ফিফা তাদের ফেসবুক পেজে বাংলাদেশের ফুটবল দলের একটি ছবি শেয়ার করে জানতে চেয়েছে, “দক্ষিণ এশিয়ার নতুন পরাশক্তি?” ফিফার এই পোস্টে ভক্তদের মধ্যে কেউ কেউ আশার বাণী শোনাচ্ছেন আবার কেউ কেউ মনে করছেন এটি শুধু ফিফার পেজের রিচ বাড়ানোর কৌশল। কিন্তু গত এক বছরের উন্নতির কথা নিশ্চিতভাবেই অস্বীকার করা যায় না।