১২ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৭শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৩শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

বাকেরগঞ্জে চাল আত্মসাতের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবিরের অপসারণ দাবি: মহেষপুর বাজারে বিক্ষোভ

admin
প্রকাশিত ১১ মার্চ, বুধবার, ২০২৬ ২৩:০১:৪৭
বাকেরগঞ্জে চাল আত্মসাতের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবিরের অপসারণ দাবি: মহেষপুর বাজারে বিক্ষোভ

Manual7 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাকেরগঞ্জ | ১১ মার্চ, ২০২৬

Manual8 Ad Code

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবিরের অপসারণ ও বিচারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে এলাকা। সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে বুধবার (১১ মার্চ) উপজেলার মহেষপুর বাজারে স্থানীয়দের ব্যানারে এক বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

Manual7 Ad Code

বিক্ষোভ ও জনরোষ

বুধবার স্থানীয় কয়েক শ বিক্ষুব্ধ জনতা মিছিলে অংশ নিয়ে চেয়ারম্যানের দুর্নীতির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মিছিলটি মহেষপুর বাজারের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং এ সময় আন্দোলনকারীরা চেয়ারম্যানের অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্লোগান দেন। মিছিলে স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের সক্রিয় উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

Manual5 Ad Code

অভিযোগের নেপথ্যে

গত সোমবার (৯ মার্চ) সরকারি দুস্থ মহিলা খাদ্যসহায়তা কর্মসূচির (ভিডব্লিউবি) ১ হাজার ৩০০ কেজি চাল কম থাকার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত। স্থানীয়দের দাবি, কলসকাঠি খাদ্যগুদাম থেকে ৩ মাসের মোট ২৩ হাজার ৯৪০ কেজি চাল উত্তোলনের কথা থাকলেও ১৩০০ কেজি চাল কম আনা হয়। গোপন সংবাদে বিষয়টি জানাজানি হলে ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতিতে চালের বস্তা গণনা করে ঘাটতি পাওয়া যায়। এই ঘটনার জেরে ওইদিন চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবিরকে পরিষদে অবরুদ্ধ করে শারীরিকভাবে হেনস্তা করার ঘটনাও ঘটে।

বক্তাদের বক্তব্য

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, “চেয়ারম্যান হুমায়ুন ইতিপূর্বেও জেলেদের চাল আত্মসাৎ এবং বিভিন্ন সরকারি ভাতা থেকে অবৈধভাবে টাকা আদায় করে পার পেয়ে গেছেন। এবারও তিনি ১ হাজার ৩০০ কেজি চাল আত্মসাতের অপচেষ্টা করেছেন। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।”

Manual2 Ad Code

প্রশাসনের ভাষ্য

এ ব্যাপারে উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা খান শামিম পারভেজ জানান, নিয়ামতি ইউনিয়নে দুস্থ মহিলাদের সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ২৬৬টি কার্ড রয়েছে। চলতি মাস এবং আগের দুই মাসের বকেয়াসহ মোট ২৩ হাজার ৯৪০ কেজি চাল খাদ্যগুদাম থেকে আনার কথা ছিল। কিন্তু গুদাম থেকে ১ হাজার ৩০০ কেজি চাল কম আনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।