৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৫শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২০শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

বিজিবির ইঙ্গিতে জাফলং জিরো পয়েন্টে ভাসমান দোকান থেকে সাপ্তাহিক চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

admin
প্রকাশিত ০৮ ফেব্রুয়ারি, রবিবার, ২০২৬ ০০:৫৫:৫২
বিজিবির ইঙ্গিতে জাফলং জিরো পয়েন্টে ভাসমান দোকান থেকে সাপ্তাহিক চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

Manual7 Ad Code

বিজিবির ইঙ্গিতে জাফলং জিরো পয়েন্টে ভাসমান দোকান থেকে সাপ্তাহিক চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

Manual4 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটের জাফলং জিরো পয়েন্ট এলাকায় সীমান্ত নিরাপত্তার আড়ালে গড়ে উঠেছে একটি চাঁদাবাজির নেটওয়ার্ক—এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিজিবির ছত্রছায়ায় শতাধিক ভাসমান দোকান থেকে নিয়মিত সাপ্তাহিক চাঁদা আদায় করা হচ্ছে।

ভুক্তভোগী একাধিক দোকানদার জানান, বল্লাঘাট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হোসেন মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন চাঁদা উত্তোলনের মূল সমন্বয়কারী। তারা দোকানদারদের কাছে গিয়ে সরাসরি বলেন—এই টাকা বিজিবি ও বিভিন্ন প্রশাসনকে দিতে হয়।
দোকানদারদের ভাষ্য, টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে দোকানঘর ভেঙে দেওয়া, ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া এবং এলাকা ছাড়তে বাধ্য করার হুমকি দেওয়া হয়। ভয়ভীতি ও প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই চাঁদাবাজি চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ।

Manual4 Ad Code

অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে জিরো পয়েন্ট এলাকায় যেভাবে শতাধিক ভাসমান দোকান গড়ে উঠেছে, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা। সীমান্তের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় দিনের পর দিন এ ধরনের কর্মকাণ্ড চললেও কার্যকর কোনো অভিযান না হওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন—বিজিবির কড়া নজরদারির মধ্যেও যদি প্রকাশ্যে চাঁদা আদায় চলে, তাহলে কার ইঙ্গিতে এই অপকর্ম চলছে?

Manual2 Ad Code

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত হোসেন মিয়া ও আলমগীর হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের এক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সত্যতা মিললে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Manual5 Ad Code

এদিকে অবিলম্বে চাঁদাবাজি বন্ধ, অবৈধ ভাসমান দোকান উচ্ছেদ এবং অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা।