২৩শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৯ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

ভবিষ্যতে যেন কোনো ফ্যাসিবাদ সৃষ্টি না হয়, সে জন্যই গণভোট: ফরিদা আখতার

admin
প্রকাশিত ১৯ জানুয়ারি, সোমবার, ২০২৬ ২০:৫৫:৩৯
ভবিষ্যতে যেন কোনো ফ্যাসিবাদ সৃষ্টি না হয়, সে জন্যই গণভোট: ফরিদা আখতার

Manual3 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক, পিরোজপুর | ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, বাংলাদেশে ভবিষ্যতে যেন আর কোনো ফ্যাসিবাদের জন্ম না হয়, তা নিশ্চিত করতেই ‘জুলাই সনদ’ এবং এর ওপর গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার কেবল একটি নির্বাচন দেওয়ার জন্য নয়, বরং আগামী দিনের সরকার কেমন হবে সে বিষয়ে জনগণের রায় নিতে দায়বদ্ধ।

Manual2 Ad Code

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে গণভোটের প্রচার ও জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জুলাই সনদ ও ‘হ্যাঁ’ ভোটের গুরুত্ব

ফরিদা আখতার জুলাই সনদকে একটি ‘প্যাকেজ’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, “এই সনদে এমন কিছু মৌলিক বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যা রাষ্ট্রের আমূল পরিবর্তন ঘটাবে। যদি আপনারা এই সংস্কারগুলোর সাথে একমত হন, তবে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কথা বলছি কারণ আমরা চাই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাগুলো বাস্তবায়িত হোক।”

Manual1 Ad Code

তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা কারও ওপর কোনো কিছু চাপিয়ে দিচ্ছি না। তবে অন্তর্বর্তী সরকার বিদায় নেওয়ার আগে জনগণের মতামত নিয়ে একটি শক্ত ভিত্তি রেখে যেতে চায়, যাতে পরবর্তী নির্বাচিত সরকার একটি নির্দিষ্ট দায়বদ্ধতার মধ্যে থাকে।”

আইনি বৈধতা ও সরকারের লক্ষ্য

গণভোটের প্রচারণা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনার জবাবে উপদেষ্টা বলেন, “আমরা আমাদের কর্তব্য পালন করছি। কেবিনেটে সিদ্ধান্ত নিয়েই এই প্রচার চালানো হচ্ছে এবং এখানে কোনো আইন লঙ্ঘন হয়নি। জুলাই সনদে যে আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করা হয়েছিল, তা পূরণ করাই আমাদের লক্ষ্য।”

সমাবেশে উপস্থিতিবৃন্দ

পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সুধী সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:

  • পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মঞ্জুর আহম্মেদ সিদ্দিকী।

    Manual6 Ad Code

  • জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আব্দুল মান্নান।

  • জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক পরিক্ষিৎ চৌধুরী।

    Manual6 Ad Code

সমাবেশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের যোদ্ধা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, মুক্তিযোদ্ধা এবং স্থানীয় সাধারণ জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। বক্তারা জুলাই সনদের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোটে অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।