
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর শুরু হলো আমাদের অভিযাত্রা। নাইরোবির ব্যস্ততা পেছনে ফেলে যাত্রা শুরু হলো উত্তর-পশ্চিম কেনিয়ার রহস্যময় লেক তুরকানার উদ্দেশে। দুই হাজার কিলোমিটারের বেশি পথ অতিক্রম করে আমরা পৌঁছালাম আফ্রিকার হৃদয়ে লুকানো এই বিস্ময়ভূমিতে।
পথে প্রথমে চোখে পড়ে লেক নাকুরুর তীরে গোলাপি ফ্লেমিঙ্গোর সারি। এরপর সবুজ মিলিয়ে যায় ধূসর মরুভূমির সঙ্গে। দিগন্তজোড়া উটের সারি আর ধুলা–উড়ানো প্রান্তর যেন ভিন্ন এক পৃথিবীতে নিয়ে গেল। পথে পড়ল গ্রেট রিফট ভ্যালি—মানবজাতির জন্মভূমি, যেখানে প্রাচীন পূর্বপুরুষদের অস্তিত্বের সন্ধান মেলে।
অবশেষে মরুভূমি পেরিয়ে সামনে দেখা গেল পান্না রঙের লেক তুরকানা, বিশ্বের বৃহত্তম মরুভূমির হ্রদ। আগ্নেয়গিরির কালো পাহাড় আর ধূসর মাটির মাঝে এই লেককে বলা হয় ‘ক্রেডেল অব হিউম্যানিটি’ বা মানবজাতির জন্মভূমি। এখানেই আবিষ্কৃত হয়েছে বহু প্রাচীন মানব নিদর্শন।
তুরকানা জনগোষ্ঠী প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে লেককে কেন্দ্র করে বাঁচছে। তাদের গান, নাচ ও সংস্কৃতিতে প্রতিফলিত হয় আফ্রিকার শক্তি ও সহনশীলতা। মারিগাট ও কালোকল শহরে স্থানীয়দের মাছধরা ও পশুপালনের জীবনযাত্রা আমাদের চোখে ধরা দিল। কঠিন পরিবেশেও মানুষের মুখে ভেসে উঠল টিকে থাকার দৃঢ়তা।
লোড়ওয়ার শহ