৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

মাদক ব্যবসায়ী দুলালের মদে সয়লাব গোয়াইনঘাট সীমান্ত,নিরব ভূমিকায় স্থানীয় প্রশাসন

admin
প্রকাশিত ০৭ মার্চ, মঙ্গলবার, ২০২৩ ০৭:১৬:৪২

Manual4 Ad Code

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ- সিলেটের গোয়াইনঘাট, প্রতাপপুর,পূর্ব জাফলং-ঘেঁষা ভারত সীমান্তের পান্তুমাই শ্যামনগরসহ এর আশপাশ এলাকা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বাহিনী প্রধান বিজিবির লাইনম্যান হিসেবে ব্যাপক পরিচিত দুলাল আহমদ প্রকাশ মন্ত্রীর পুত্র দুলাল।

Manual3 Ad Code

 

Manual8 Ad Code

তার পালিত ১৫,২০ জন ক্যাডার এখন তাকে ঘিরে থাকে। লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে যেখানে প্রয়োজন সেখানে হানা দিয়ে আদায় করে চাঁদা। বারবার ত্রাস সৃষ্টির মাধ্যমে এলাকার মানুষকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে তারা। স্থানীয়রা বলছেন, নুন আনতে পানতা ফোরাত তার এখন কোটি টাকার মালিক দুলালের বিরুদ্ধে কেউ কোনো কথা বলতে সাহস পায় না। কারণ তার পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক শক্তি।

 

দুলাল আহমদ হাজিপুর (ঢালার পার) এলাকার মৃত ইদ্রিস ওরফে মন্ত্রীর ছেলে। নানা অভিযোগ দুলালের বিরুদ্ধে। চোরাচালান, মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি তার প্রধান কাজ।

Manual1 Ad Code

 

ভুক্তভোগী বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, দুলাল বাহিনীর অত্যাচারে তারা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। এ বাহিনীতে রয়েছে সন্ত্রাসী ক্যাডার। এসব ক্যাডার সবসময় হাতুড়ি, চাকু, হকিস্টিক, রড নিয়ে চলাফেরা করে, তাদের নিয়ন্ত্রণে ভারত থেকে আসা গরুপ্রতি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আদায় করে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। চাঁদা না পেয়ে এরই মধ্যে তারা কয়েকজনকে মারধর করেছে। স্থানীয় এক গরু ব্যবসায়ী জানান, তাদের দাবি অনুযায়ী টাকা না দেয়ায় তিনিসহ অনেকে হামলা ও মামলার শিকার হয়ে সম্প্রতি জেলও খাটতে হয়।স্থানীয় কয়েকজন জানান, দুলাল বাহিনীর বিরুদ্ধে এলাকার কেউ কথা বলতে সাহস পান না। এদের বিরুদ্ধে কথা বললে হামলা-মামলার শিকার হতে হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, দুলাল ও তার দলের সদস্যরা বেপরোয়া গতিতে চলছে।

 

Manual6 Ad Code

এদিকে মাদক ব্যবসায়ী দুলাল বাহিনী নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে প্রশাসনের প্রতি একপ্রকার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, উপজেলার ভারত সীমান্ত সংলগ্ন পান্তুমাই বাবুরকোনা সহ সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে দিয়ে দুলাল বাহিনী ভারত থেকে মদ, গাঁজা, ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য এদেশে এনে তা দেশের অভ্যন্তরে পাচার করে আসছে। সীমান্ত এলাকার শীর্ষ ভারতীয় মদ ব্যবসায়ীদের মধ্যে শীর্ষ দুলাল সহ ১৫/২০ জনের একটি সিন্ডিকেট ভারতীয় মদের ব্যবসা চালিয়ে আসছে।

এ ব্যাপারে জানতে মাদক ব্যবসায়ী দুলালের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমি একা এই ব্যবসায় জড়িত না, আরও অনেক আছেন,তাদের খুঁজে বের করুন।