কারাকাস, ৩ জানুয়ারি ২০২৬:
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রী সাবেক ফার্স্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে দেশ থেকে বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ট্রাম্পের মতে, এটি হয়েছে ভেনেজুয়েলায় ‘বড় পরিসরের সামরিক অভিযান’ চালানোর মাধ্যমে।
ট্রাম্প আরও জানিয়েছেন, এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে। তিনি বলেন, আরও বিস্তারিত তথ্য শিগগিরই একটি সংবাদ সম্মেলনে জানানো হবে।
স্থানীয় পরিস্থিতি
ভেনেজুয়েলার সরকার জানিয়েছে, কারাকাস, মিরান্ডা, আরাগুয়া এবং লা গুয়াইরায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা চালানো হয়েছে। স্থানীয় সময় রাত ২টার দিকে কারাকাসে কমপক্ষে সাতটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং উড়ন্ত যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি দেখা গেছে। মাদুরো সরকার এটিকে সামরিক আগ্রাসন হিসেবে বর্ণনা করেছে।
ভেনেজুয়েলার প্রতিক্রিয়া
ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ এক টেলিভিশন ভাষণে জানান, মাদুরোকে আটক করা হয়েছে এবং তিনি অবিলম্বে তাঁর জীবিত থাকার প্রমাণ দেখতে চাইছেন। খবর অনুসারে, তিনি মাদুরো এবং তার স্ত্রীর বেঁচে থাকার প্রমাণ জনসমক্ষে প্রদর্শনের দাবি করেছেন।
ইতিহাসগত প্রেক্ষাপট
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি মাদুরোকে সত্যিই আটক করে বিদেশে নেওয়া হয়, তাহলে এটি আধুনিক ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা হবে। তুলনামূলকভাবে, ১৯৮৯ সালে পানামার নেতা ম্যানুয়েল নোরিয়েগাকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান চলাকালে আটক করা হয়েছিল, কিন্তু সেখানে সরাসরি দেশের সামরিক বাহিনীকে পরাজিত করতে হয়েছিল।
সতর্কতা
এ পর্যন্ত মাদুরো আটক হওয়ার বিষয়টি স্বতন্ত্র বা স্বাধীন সূত্র দ্বারা যাচাই করা যায়নি। ওয়াশিংটন বা পেন্টাগন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।