নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম | ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
চট্টগ্রামের রাউজানে অলিমিয়াহাট এলাকায় যুবদল কর্মী মুজিবুর রহমানকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি মো. নাঈমকে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ মাজার গেট এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
আজ শুক্রবার রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তারের পর নাঈম আদালতে হাজির হয়ে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।
তদন্ত ও অভিযান: ওসি সাজেদুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের পরপরই চট্টগ্রামের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও রাউজান থানা-পুলিশ যৌথ তদন্ত শুরু করে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং প্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের শনাক্ত করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বায়েজিদ মাজার গেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ১ নম্বর আসামি নাঈমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনার পটভূমি: গত বুধবার ইফতারের পর রাউজান উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের অলিমিয়াহাটে একটি ফলের দোকানের ভেতর মুজিবুর রহমানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। তাঁর শরীরে তিনটি গুলি লাগে, যার ফলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ছয়-সাতজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে রাউজান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশের বক্তব্য: রাউজান থানা পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দ্রুতই বাকি অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ওসি সাজেদুল ইসলাম।
একটি বিষয় লক্ষ্য করুন: আপনি যে টেক্সটটি দিয়েছেন তাতে মামলার ১ নম্বর আসামি হিসেবে নাঈমের নাম আছে, আবার এজাহারে ৬-৭ জন “অজ্ঞাতনামা” আসামির কথা বলা হয়েছে। সাধারণত ১ নম্বর আসামি হিসেবে নাম থাকা মানে তিনি এজাহারভুক্ত। তবে পুলিশের তদন্তে নাম উঠে আসায় তাকে প্রধান আসামি হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।