৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৪ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

রাজধানীতে ডাকাতির সময় জামায়াত নেতাকে হত্যা, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট

admin
প্রকাশিত ১৩ জানুয়ারি, মঙ্গলবার, ২০২৬ ১৯:২৪:০৫
রাজধানীতে ডাকাতির সময় জামায়াত নেতাকে হত্যা, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট

Manual8 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬

রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজার এলাকায় নিজ বাসায় হাত, পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় মোহাম্মদ আনোয়ার উল্লাহ (৬৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে একদল চোর বা ডাকাত চক্র জানালার গ্রিল কেটে বাসায় ঢুকে তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

Manual3 Ad Code

পরিচয় ও পেশা

নিহত মোহাম্মদ আনোয়ার উল্লাহ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের শেরেবাংলা নগর দক্ষিণ থানার পশ্চিম রাজাবাজার ওয়ার্ডের সহসভাপতি ও রুকন ছিলেন। পেশায় তিনি একজন হোমিও চিকিৎসক ছিলেন এবং ৫৮/১ নম্বর বাসার দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে সস্ত্রীক বসবাস করতেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার লাকসামে।

ঘটনার বিবরণ

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে একদল দুষ্কৃতকারী জানালার গ্রিল কেটে আনোয়ার উল্লাহর ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে। তারা অস্ত্র প্রদর্শন করে আনোয়ার উল্লাহ ও তাঁর স্ত্রীকে জিম্মি করে ফেলে। এরপর তাঁদের দুজনেরই হাত, পা এবং মুখ কাপড় দিয়ে শক্ত করে বেঁধে ফেলে।

লুটেরা চক্রটি বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী লুট করে পালিয়ে যায়। ডাকাতরা চলে যাওয়ার পর আনোয়ার উল্লাহর স্ত্রী কোনোমতে নিজের বাঁধন খুলে একই ভবনের তৃতীয় তলায় থাকা তাঁর মেয়ের জামাইকে ফোনে বিষয়টি জানান।

Manual2 Ad Code

হাসপাতালে মৃত ঘোষণা

মেয়ের জামাই দ্রুত নিচে নেমে এসে আনোয়ার উল্লাহকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে পার্শ্ববর্তী স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

Manual5 Ad Code

পুলিশের ভাষ্য

শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চুরি বা ডাকাতি করতে এসে দুর্বৃত্তরা আনোয়ার উল্লাহর মুখ কাপড় দিয়ে শক্ত করে বেঁধে রাখলে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। মরদেহ বর্তমানে স্কয়ার হাসপাতালে রাখা হয়েছে।”

Manual5 Ad Code

পুলিশ এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে এবং আলামত সংগ্রহের কাজ চলছে।