ঢাকা: রাজধানীর নারিন্দায় একটি এসির কম্প্রেশার মেশিন বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের তিনজনের মধ্যে ছেলের মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার রাত ১০টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে সেলিম ব্যাপারী (২৫) নামে ওই যুবকের মৃত্যু হয়।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সেলিমের শ্বাসনালিসহ শরীরের শতভাগ পুড়ে গিয়েছিল।
ডা. শাওন আরও জানান, বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন সেলিমের বাবা মুক্তার ব্যাপারী (৫৫) ও মা সেলিনা বেগম (৪৬)। তাদের শরীরের যথাক্রমে ২২ শতাংশ ও ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ:
গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে নারিন্দার পাঁচ তলা একটি বাড়ির তৃতীয় তলায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, ওই ফ্লাটে মজুত করে রাখা এসির কম্প্রেশার থেকে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে।
সেলিমের খালাতো ভাই আবির হোসেন জানান, নারিন্দার ওই বাসায় তৃতীয় তলায় পরিবারটি ভাড়া থাকত। সেলিম অবিবাহিত ছিলেন এবং বাবা-মাসহ তারা ৩ জনই ওই বাসায় থাকতেন।
বিস্ফোরণের কারণ ও প্রেক্ষাপট:
আবির হোসেন জানান, দগ্ধ মুক্তার ব্যাপারীর ধোলাইপাড় এলাকায় এসি ও ফ্রিজের কম্প্রেশারের দোকান রয়েছে। ব্যবসার সুবাদে তিনি দোকানের মালামাল বাসায়ও রাখতেন। ঘটনার পরপরই মোবাইল ফোনে দুর্ঘটনার খবর পান আবির। তবে কীভাবে ঠিক বিস্ফোরণটি ঘটেছে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।
সারসংক্ষেপ:
নারিন্দায় এসির কম্প্রেশার বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের তিনজনের মধ্যে সেলিম ব্যাপারী নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শতভাগ দগ্ধ অবস্থায় তিনি জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে মারা যান। তার বাবা ও মা এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন, তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। বিস্ফোরণটি ঘটেছিল তাদের ভাড়া বাসার তৃতীয় তলায় যেখানে এসির কম্প্রেশার মজুত করা ছিল। সেলিমের বাবার এসি/ফ্রিজের দোকান থাকায় মালামাল বাসায় রাখা হতো। বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি।