৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

রাজশাহীতে ক্রয়কৃত সম্পত্তি থেকে বেদখলের চেষ্টা

admin
প্রকাশিত ২৪ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার, ২০২৫ ২২:৪৩:২৩
রাজশাহীতে ক্রয়কৃত সম্পত্তি থেকে বেদখলের চেষ্টা

Manual2 Ad Code

রাজশাহী ব্যুরো: ১৯৮২ সালে মহানগরীর কয়েরদাঁড়া মৌজায় .৩৭ একর জমি ক্রয় করেন কয়েরদাঁড়া এলাকার মৃত দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মফিজুল হাসান। কিন্তু সেই ক্রয়কৃত সম্পত্তি থেকে বিতাড়িত করতে একটি পক্ষ উঠেপড়ে লেগেছে। এঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে চলছে মামালা মোকদ্দমা। জমিটি নিয়ে গত ২২ এপ্রিল জমির ক্রয়কৃত মালিক মফিজুল হাসান ও তার পক্ষের লোক শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি সংবাদ সম্মেলন করে রফিকুল ইসলাম বজলু গং।

Manual4 Ad Code

 

 

 

Manual6 Ad Code

 

Manual5 Ad Code

 

সেখানে শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ” অবৈধভাবে জমি দখল ও ওয়ারিশদের হুমকি এবং হয়রানির অভিযোগ করা হয়। বিষয়টি প্রতিপক্ষ শফিকুল ইসলামের দৃষ্টিগোচর হলে সকল ঘটনার বিবরণ তুলে ধরে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেন। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

 

 

 

Manual5 Ad Code

 

 

 

এসময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শফিকুল ইসলাম। বক্তব্যে তিনি দাবি করেন গত ২২ এপ্রিল আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে অবৈধভাবে জমি দখল ও ওয়ারিশদের হুমকি ও হয়রানির অভিযোগ তুলে আমার বিরুদ্ধে আনায়ন করিয়াছে তাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিক্তিহীন ও বানোয়াট। আমি এই ধরনের কাজ কখনই করি নাই। গত দিনে রফিকুল ইসলাম (বজলু)সহ যারা সংবাদ সম্মেলন করিয়াছে, তারা মুলত সন্ত্রাসী, দাঙ্গাবাজ ও পরধন লোভী। নালিশী সম্পত্তি আমার চাচা মোঃ মফিজুল হাসান এর ক্রয়কৃত সম্পত্তি।

 

 

 

 

 

আমার চাচা এই সম্পত্তি ১৯৮২ সালে ক্রয় করেন এবং এখন পর্যন্ত দখলে ভোগে আছেন। কিন্তু বজলু গং উক্ত সম্পতিতে গত ২৫ আগষ্ট ২৩ ইং তারিখে মোঃ রফিকুল ইসলাম (বজল), মোঃ ফারুক, মো: জুলমত, মোঃ মহরম আলী, মো: আরমান আলী সহ আরও ১০/১৫ জন মিলে দলবদ্ধ হয়ে আমাদের এই জমিতে অনুপ্রবেশ করে জোর করে এবং বিভিন্ন রকম গাছ লাগানোর চেষ্টা করে। পরবর্তীতে আমি আমার চাচার পক্ষে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত রাজশাহীতে ফোজদারী কার্য বিধি ১৪৫ ধারায় একটি মামলা দায়ের করি। যার মামলা নং-১৯০৪ (বোয়ালিয়া)। সেই মামলায় আদালত সরজমিত তদন্ত করে ও কাগজপত্র পর্যালোচনা করে বিজ্ঞ আদালত বিবাদী দ্বয়কে সম্পত্তিতে প্রবেশাদিকার বারিদ করে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বোয়ালিয়া থানাকে নির্দেশ প্রদান করেন। আমার চাচা মফিজুল হাসানের মৃত্যুর পর উক্ত জমিটির দেখভালের দ্বায়িত্ব দেয় আমাকে। সেই আলোকে চাচার ওয়ারিসদের অনুমতিক্রমে এই সম্পত্তির কিছু অংশ বিক্রয় শর্তে বিভিন্ন লোকের কাছে হস্তান্তর করি।

 

 

 

 

তারাও বাড়ী ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন। কিন্তু হঠাৎ করে গত ২১ মার্চ (১) মোঃ রফিকুল ইসলাম (বজল), (২) মোঃ ফারুক,(৩)মো: জুলমত,(৪) মোঃ মহরম আলী, (৫)মো: আরমান আলী সহ আরও ১০/১৫ জন মিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে আমার নির্মাণাধিন শ্রমিকদের সাথে খারাপ আচরণ ও তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে আমার নির্মাণ শ্রমিকদের মারমুখি আচরণ ও হুমকি প্রদান করে স্থলে গিয়ে নির্মাণস্থত বাড়ীর জানালা গুলো হাতুরী, জি আই পাইব, সাবল দ্বারা ভেঙ্গে নিয়ে যায় ও বাড়ীর মেইন ভেঙ্গে নিয়ে যায়। পরে এঘটনায় আমি বোয়ালিয়া মডেল থানায় গিয়ে ৩ এপ্রিল একটি লুটপাটের অভিযোগ দায়ের করি। এই দায়ের করার পর বিবাদী পক্ষ অভিযোগের বিষয় জানতে পেরে আমাকে এই অভিযোগ উঠানোর জন্য মোঃ রফিকুল ইসলাম (বজল), এই অভিযোগ না উঠালে আমাকে মারধর করে আমার জমি দখল করে নিবে। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম বজলুর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা ব্যার্থ করলে তাকে ফোনে পাওয়া যায় নি।