
রাজশাহী, ৪ জানুয়ারি:
রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে দাখিল করা ৩৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। অপর ১৯ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া ছয়টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া ৯ জনের সবার মনোনয়নপত্রই বাতিল হয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এসব তথ্য জানা যায়।
রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির শরীফ উদ্দীন, জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ও এবি পার্টির আব্দুর রহমান;
রাজশাহী-২ আসনে বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, এবি পার্টির সাঈদ নোমান, ইসলামী আন্দোলনের ফজলুল করিম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মেজবাউল হক ও নাগরিক ঐক্যের সামছুল আলম;
রাজশাহী-৩ আসনে বিএনপির শফিকুল হক মিলন, জামায়াতে ইসলামীর আবুল কালাম আজাদ ও জাতীয় পার্টির আফজাল হোসেন;
রাজশাহী-৪ আসনে বিএনপির ডি এম ডি জিয়াউর রহমান ও জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল বারী;
রাজশাহী-৫ আসনে বিএনপির নজরুল ইসলাম ও জামায়াতে ইসলামীর মনজুর রহমান;
রাজশাহী-৬ আসনে বিএনপির আবু সাঈদ চাঁদ, জামায়াতে ইসলামীর নাজমুল হক ও ইসলামী আন্দোলনের আব্দুস সালাম সুরুজ।
রাজশাহী-১ আসনে গণঅধিকার পরিষদের মীর মো. শাহাজান;
রাজশাহী-২ আসনে এলডিপির মো. ওয়াহেদুজ্জামান;
রাজশাহী-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের ফজলুর রহমান ও আমজনতার দলের সাঈদ পারভেজ;
রাজশাহী-৪ আসনে জাতীয় পার্টির ফজলুল হক ও ইসলামী আন্দোলনের তাজুল ইসলাম খান;
রাজশাহী-৫ আসনে ইসলামী আন্দোলনের রুহুল আমিন ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির আলতাফ হোসেন মোল্লা;
রাজশাহী-৬ আসনে জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন।
ছয়টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া ৯ জনের মধ্যে আটজনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন তালিকায় গরমিলের কারণে। অপর একজনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে ঋণখেলাপি হওয়ায়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, বিভিন্ন প্রার্থীর সমর্থন তালিকায় মৃত ভোটার, ভোটার খুঁজে না পাওয়া, স্বাক্ষরের ঘাটতি, আয়-ব্যয়ের হলফনামায় ত্রুটি এবং আয়কর না দেওয়ার মতো অনিয়ম পাওয়া গেছে।
রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আখতার জানান, যেসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে, তাঁরা ৫ থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। আপিলের জন্য স্মারকলিপি আকারে সাত সেট নথি জমা দিতে হবে।