
নিজস্ব প্রতিবেদক | কুড়িগ্রাম ১২ জানুয়ারি, ২০২৬ কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে গুলিবর্ষণ বা বিস্ফোরণের পর মিস্টার আলী (২৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে। গতকাল রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের খাটিয়ামারী সীমান্তের আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার ১০৬২-এর নিকটবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক যুবক মিস্টার আলী রৌমারী সদর ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম জানান, রোববার রাতে মিস্টার আলীসহ ১০-১২ জনের একটি দল খাটিয়ামারী সীমান্ত দিয়ে নো-ম্যান্স ল্যান্ড পেরিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশের চেষ্টা করে। তারা কাঁটাতারের ওপর দিয়ে ভারতীয় পণ্য পারাপারের সময় ভারতের কুচনীমারা ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ অথবা সাউন্ড গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে চোরাকারবারিরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালানোর চেষ্টা করলে বিএসএফ সদস্যরা মিস্টার আলীকে আটক করে নিয়ে যায়। তবে বিএসএফ ঠিক কী ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জামালপুর বিজিবি ৩৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল হাসানুজ্জামান বলেন, "সীমান্তে এক বাংলাদেশি যুবককে আটকের বিষয়টি জানার পর আমরা বিএসএফকে বার্তা পাঠিয়েছি এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। তবে আজ সোমবার বেলা ১১টা পর্যন্ত তাদের পক্ষ থেকে কোনো ফিরতি জবাব পাওয়া যায়নি।"
তিনি আরও জানান, সীমান্তে গুলি বা বিস্ফোরণের শব্দের বিষয়ে বিজিবি নিশ্চিত কোনো তথ্য এখনও পায়নি।
সীমান্তে এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিএসএফের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো সাড়া না পাওয়ায় বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সুরাহা করার চেষ্টা চলছে।