২৮শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৪ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৯ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

শরণখোলায় কিশোরী রিয়া মনি হত্যার রহস্য উদঘাটন: গ্রেপ্তার ৩, আদালতে একজনের স্বীকারোক্তি

admin
প্রকাশিত ২৮ মার্চ, শনিবার, ২০২৬ ১৭:০০:১২
শরণখোলায় কিশোরী রিয়া মনি হত্যার রহস্য উদঘাটন: গ্রেপ্তার ৩, আদালতে একজনের স্বীকারোক্তি

Manual6 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক, শরণখোলা (বাগেরহাট) শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

বাগেরহাটের শরণখোলায় কিশোরী ফাতেমা আক্তার রিয়া মনি (১৫) হত্যাকাণ্ডের তিন দিনের মাথায় রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন আসামি আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

Manual5 Ad Code

আজ শনিবার দুপুরে শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামিনুল হক এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

Manual4 Ad Code

গ্রেপ্তারকৃতদের পরিচয়

গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলেন—রফিকুল ইসলাম রুবেল (৩৫), মিজানুর রহমান (২৩) ও তুহিন (২১)। পুলিশ জানায়, তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় তাঁদের গ্রেপ্তার করে বাগেরহাট জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে আসামি মিজানুর রহমান শুক্রবার বিকেলে বাগেরহাট ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

হত্যাকাণ্ডের কারণ

প্রেস ব্রিফিংয়ে ওসি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানিয়েছেন যে রিয়া মনির সাথে তাঁদের মাদকদ্রব্য কেনাবেচা এবং শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়েছিল। এছাড়া নিহতের বিরুদ্ধে ‘হানিট্রাপ’ বা প্রলোভন দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগও তুলেছেন আসামিরা। এই ত্রিমুখী বিরোধের জের ধরেই তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয় বলে ধারণা করছে পুলিশ।

Manual2 Ad Code

ঘটনার প্রেক্ষাপট

গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের পশ্চিম রাজৈর গ্রামের একটি মসজিদের সামনের রাস্তা থেকে রিয়া মনির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই নৃশংস ঘটনার পর নিহতের বাবা মো. আজিম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জনকে আসামি করে শরণখোলা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই পুলিশের একাধিক টিম ছায়া তদন্ত শুরু করে।

Manual5 Ad Code

প্রশাসনের বক্তব্য

শরণখোলা থানার ওসি মো. শামিনুল হক বলেন:

“মামলা হওয়ার পর থেকে আমরা গুরুত্বের সাথে তদন্ত শুরু করি। দ্রুততম সময়ে আমরা তিনজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি এবং একজন আদালতে দোষ স্বীকার করেছেন। মামলার বাকি আসামিদের ধরতেও আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”