
শ্রীপুর পৌর ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিল পদে মোঃ ফজলুল হকের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি
শেখ মোঃ হুমায়ুন কবির, স্টাফ রিপোর্টার : আসন্ন গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে, মতবিনিময় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
শ্রীপুর পৌর ৮নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকার মানুষের সাথে সাক্ষাৎ করে তাদের সমস্যার কথা শুনছেন এবং নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়নে কী ধরনের উদ্যোগ নিতে চান, তা তুলে ধরেন।
শ্রীপুর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক সদস্য, শ্রীপুর পৌর ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, মাওনা চৌরাস্তা রাঙা-প্রভাত সাহিত্য ও ক্রীড়া সংঘের সাধারণ সম্পাদক, মোঃ ফজলুল হক।
পৌর ৮নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকার সাধারণ ভোটার, ব্যবসায়ী, তরুণ, প্রবীণ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন তিনি।
এ সময় তিনি এলাকার রাস্তাঘাট, যোগাযোগব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও নাগরিক সুবিধা, ইভটিজিং মাদকসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন।
কাউন্সিল পদপ্রার্থী মোঃ ফজলুল হক বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে পৌর ৮নং ওয়ার্ডবাসীর প্রত্যাশা অনুযায়ী উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করাই হবে প্রধান লক্ষ্য। দীর্ঘদিন ধরে যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, একটি পৌরসভা উন্নয়ন শুধু রাস্তাঘাট নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপদ পানি, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, যোগাযোগব্যবস্থা এবং সাধারণ মানুষের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে একটি জনবান্ধব পৌর ৮নং ওয়ার্ড গড়ে তোলার প্রত্যশা, পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, কাঁচা ও ভাঙাচোরা সড়ক সংস্কার, পানি নিষ্কাশন এবং বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির দাবি জানান তারা।
কাউন্সিল পদপ্রার্থী মোঃ ফজলুল হক বলেন, জনপ্রতিনিধির মূল দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের পাশে থাকা। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে ৮নং ওয়ার্ডের প্রতিটি এলাকার মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চান, কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণি বা এলাকার পরিবর্তে পুরো ৮নং ওয়ার্ড মানুষের কল্যাণে কাজ করার কথাও জানান এ কাউন্সিল পদপ্রার্থী।
শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ প্রত্যাশা করেন। পাশাপাশি জনগণের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করে পৌর ৮নং ওয়ার্ডের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান।
এদিকে আসন্ন পৌরসভার নির্বাচনকে সামনে এলাকায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে ভোটারদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রার্থীরা নিজেদের পরিকল্পনা ও কর্মসূচি তুলে ধরছেন এবং ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন।