সংস্কার না হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না

প্রকাশিত: ১০:১২ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৮, ২০২৫

সংস্কার না হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনসহ ৭ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আগামীকাল শনিবার (১৯ জুলাই) ঢাকার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত জাতীয় সমাবেশকে স্বাগত জানিয়ে শাহবাগ পূর্ব থানার উদ্যোগে প্রচার মিছিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং ঢাকা-৮ সংসদীয় আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জননেতা এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ে জামায়াত সর্বদা প্রস্তুত। আগামী নির্বাচন যেন সব দলের অংশগ্রহণে অবাধ সুষ্ঠু ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়, তা নিশ্চিত করতে শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে।’

শুক্রবার (১৮ জুলাই) শাহবাগ পূর্ব থানা আমির আহসান হাবীবের সভাপতিত্বে এবং থানা সেক্রেটারি মো. নুরুন্নবী রায়হানের সঞ্চালনায় মিছিলে উপস্থিত ছিলেন থানা বায়তুল মাল সম্পাদক কামরুজ্জামান, অফিস ও প্রচার সম্পাদক মুখলেছুর রহমান জুয়েল, কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুল মোনিম খান, ওমর ফারুক, ফারুক হোসেন, আলী হোসেন সুমন,  সানাউল্লাহ রাকিব সহ ওয়ার্ড দায়িত্বশীলরা।

 

 

 

 

 

 

সেগুনবাগিচস্থ আন নুর মসজিদের সামনে থেকে শুরু হয়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিজয়নগর মোড়ে এসে মিছিল শেষ হয়।

ড. হেলাল বলেন, ১৯ জুলাই ঢাকার জাতীয় সমাবেশ শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এই সমাবেশের মাধ্যমে জনগণের ন্যায্য দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার দৃঢ় প্রত্যয় জাতির সামনে তুলে ধরা হবে। তাই এই ঐতিহাসিক জাতীয় সমাবেশ সফল করার জন্য সর্বস্তরের জনগণকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

 

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র আজ ভূলুণ্ঠিত, মানুষের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। আমরা একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটানো জাতীয় নির্বাচন চাই। সে লক্ষ্যেই ১৯  জুলাইয়ের সমাবেশ ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করছে।

 

 

 

তিনি বলেন, সংস্কার না হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। আরেকটি ফ্যাসিবাদের জন্ম হবে। আবারো নির্বাচনের নামে প্রহসন হবে, তা জনগণ কিছুতেই মেনে নিবে না। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থেই এই সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

 

 

 

তিনি আরও বলেন, যারা দল পরিচালনায় ব্যর্থ, তারা দেশ পরিচালনায়ও ব্যর্থ হবে। যারা ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই দলের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না তারা ক্ষমতায় গেলে দেশের পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ হবে জাতি সেটি জানে। যে দলের এক নেতা আরেক নেতার কাছে নিরাপদ নয়, এক কর্মী আরেক কর্মীর কাছে নিরাপদ নয়, সেই দলের কাছে দেশ ও জাতি কখনোই নিরাপদে থাকতে পারবে না।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ নিউজ